Web Analytics

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীর লাগেজ, শরীর, বিমানের আসনের নিচে ও শৌচাগার থেকে বারবার স্বর্ণ উদ্ধার হলেও চালানের অর্থদাতা, প্রকৃত মালিক ও গ্রহণকারীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে শনাক্ত হন না। ২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ২৬২টি ঘটনায় ১৬১ দশমিক ৭২৭ কেজি স্বর্ণ জব্দ হয়েছে। এসব ঘটনায় বাহক বা যাত্রী হিসেবে ২৫২ জন যুক্ত ছিলেন এবং ১০টি চালান পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার হয়।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, শুধু বাহক গ্রেপ্তার করে পুরো চক্র ভাঙা সম্ভব নয়; অর্থদাতা, মালিক ও গ্রহণকারীদের আইনের আওতায় আনা জরুরি। সহকারী পরিচালক বিল্লাল হোসেন বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তবে মূল হোতারা ধরা পড়লে অপরাধ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হতো। ডিবি-বন্দরের উপকমিশনার কাজী আবদুর রহীম বলেন, তাদের কাছে আসা মামলা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হয়।

সবচেয়ে বড় জব্দের ঘটনা ঘটে ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ, যখন দুবাই থেকে আসা বাংলাদেশ বিমানের উড়োজাহাজে ৯০২টি বারসহ প্রায় ১০৫ কেজি স্বর্ণ পাওয়া যায়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের আগের নয় বছরে প্রায় ৫০টি মামলার ৪১টির বিচার ঝুলে আছে। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত সাতটি মামলা হলেও একই সময়ে জব্দের ঘটনা ছিল ১৭৩টি।

03 Nov 26 1NOJOR.COM

চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে স্বর্ণ জব্দ হলেও মূল চোরাচালানিরা প্রায়ই অশনাক্ত থাকছেন

নিউজ সোর্স

বাহক ধরা পড়ে, আড়ালেই থেকে যায় কারবারিরা

যাত্রীর লাগেজ, শরীর, বিমানের আসনের নিচে কিংবা শৌচাগার—স্বর্ণ চোরাচালানের নানা কৌশল ধরা পড়েছে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। এক চালানেই উদ্ধার হয়েছে ১০৫ কেজি স্বর্ণ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতেও শত শত ঘটনায় স্বর্ণ জব্দ হয়েছে। গ্রেপ্তার হয়েছেন

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।