Web Analytics

মোহাম্মদপুরে মোটরসাইকেল ব্যবসায়ী মো. শরীফকে অপহরণ এবং ১০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে আটক ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যকে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন মঞ্জুর করেছেন ঢাকার একটি আদালত। ডিজিএফআই মহাপরিচালকের পক্ষে লে. কর্নেল মো. শরীফ উল্যাহ সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদনটি করেন। পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত আবেদন মঞ্জুর করেন।

পুলিশ জানায়, মোহাম্মদপুর থানার মামলা নম্বর ৭৯, তারিখ ১০/১০/২০২৬-এর আসামি সার্জেন্ট আল মামুন ও ল্যান্স করপোরাল নুরুজ্জামান সামরিক বাহিনীর সদস্য এবং ডিজিএফআইয়ে কর্মরত। ডিজিএফআই বলেছে, সেনা আইন অনুযায়ী গঠিত তদন্ত আদালতে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে তাদের উপস্থিতি প্রয়োজন। সংস্থাটি আশ্বাস দিয়েছে, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা শেষে অগ্রগতি ও ফলাফল আদালতকে জানানো হবে।

গত ২৫ অক্টোবর দুই সদস্যসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার অভিযোগে বলা হয়, শরীফকে একটি ফ্ল্যাটে আটকে ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। তিনি মোটরসাইকেল কেনার জন্য সঙ্গে থাকা ৭০ হাজার টাকা দিলেও তাঁকে মারধরের অভিযোগ রয়েছে। পরে একটি প্রাইভেটকারে আটকে রাখার সময় তিনি পালিয়ে পুলিশকে জানান। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি বলেন, সামরিক কর্তৃপক্ষ তদন্ত বা কোর্ট মার্শালের স্বার্থে কর্মরত সদস্যদের হেফাজত চাইতে পারে।

28 Oct 26 1NOJOR.COM

অপহরণ ও চাঁদাবাজি মামলায় ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যকে হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি

নিউজ সোর্স

দুই ডিজিএফআই সদস্যের বিচার হবে সামরিক আদালতে

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মো. শরীফ নামে এক মোটরসাইকেল ব্যবসায়ীকে অপহরণ ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের দুই সদস্যকে নিজেদের হেফাজতে নিতে আদালতে আবেদন জানিয়েছে ডিজিএফআই সদরদপ্তর। সেনা আইন অনুযায়ী

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।