Web Analytics

ওয়াশিংটন পোস্টের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক ইরানি হামলায় কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থিত অন্তত ২২৮টি মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলোর দীর্ঘদিনের বিশ্বাস—আমেরিকা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে—গভীরভাবে নড়বড়ে হয়েছে। ইরান দেখিয়ে দিয়েছে, মার্কিন ঘাঁটিগুলোও তাদের পাল্টা আঘাত থেকে নিরাপদ নয়, ফলে ওয়াশিংটনের আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা কাঠামোর বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়েছে।

এই সংকট গালফ অঞ্চলের শাসক ও ব্যবসায়িক মহলে অস্বস্তি তৈরি করেছে। ইরানের ‘যন্ত্রণার মাধ্যমে প্রতিরোধ’ কৌশল কার্যকরভাবে মার্কিন নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করেছে। হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ বেড়েছে, বীমা ও প্রতিরক্ষা ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। দুবাইয়ের মতো শহরগুলোতে পর্যটন, বিনিয়োগ ও পরিবহন খাতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, গালফ রাষ্ট্রগুলো এখন চীন, রাশিয়া ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করে ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরতা কমানোর পথে এগোচ্ছে। নতুন বাস্তবতা হলো—মিত্রতা থাকবে, কিন্তু অন্ধ আনুগত্য নয়।

12 May 26 1NOJOR.COM

ইরানের হামলায় কেঁপে উঠেছে মার্কিন প্রভাব ও উপসাগরীয় নিরাপত্তা আস্থা

নিউজ সোর্স

সমীকরণ বদলে দিয়েছে ইরান | আমার দেশ

সরদার ফরিদ আহমদ
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬, ১০: ৩১
দীর্ঘ দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যের শাসকদের একটি বিশ্বাস ছিল আমেরিকা তাদের রক্ষা করবে। আমেরিকা তাদের হয়ে লড়বে। আমেরিকা ইরানকে ঠেকিয়ে রাখবে। এই বিশ্বাসই গালফ অঞ্চলের রাজনীতিকে গড়ে তুলেছে। সামরিক জোটকে গড়ে তুলেছ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।