Web Analytics

সৌদি আরবের বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হুথিদের হামলাকে কেবল সামরিক অভিযান নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি, ইয়েমেনের সংঘাতে নিজেদের প্রভাব ধরে রাখা এবং ইরানের কাছে কৌশলগত গুরুত্ব দেখানোর প্রচেষ্টা হিসেবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে। লেখাটিতে বলা হয়েছে, ইয়েমেনের পশ্চিম উপকূলে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর অগ্রগতির মুখে হুথিরা সৌদি ভূখণ্ডের গভীরে হামলার সক্ষমতা প্রদর্শন করতে চাইতে পারে।

বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বিমানবন্দরে হামলার মাধ্যমে রিয়াদের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেন সরকারকে সমর্থনের রাজনৈতিক মূল্য বাড়ানো এবং নিজেদের শর্তে আলোচনায় বসতে চাপ দেওয়াই হুথিদের একটি লক্ষ্য হতে পারে। একই সঙ্গে এসব হামলাকে ইয়েমেন ও বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যে সৌদি প্রভাবকে চ্যালেঞ্জ এবং ইরানের আঞ্চলিক কৌশলের সঙ্গে সম্পর্কিত বলেও দেখা হয়েছে। তবে বেসামরিক স্থাপনায় সহিংসতা আন্তর্জাতিক চাপ ও কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

লেখাটিতে বলা হয়েছে, সৌদি আরব শুধু ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার মধ্যে সীমিত না থেকে সামরিক, প্রতিরক্ষা, কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের সমন্বয় জোরদার করতে চায়। তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ইয়েমেন সংকটের স্থায়ী সমাধানে রাজনৈতিক সমঝোতা, দেশটির সার্বভৌমত্ব, জনগণের স্বার্থ এবং প্রতিবেশীদের নিরাপত্তাকে একসঙ্গে বিবেচনার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

16 Oct 26 1NOJOR.COM

হুথি বিমানবন্দর হামলাকে চাপ সৃষ্টির কৌশল ও আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশ হিসেবে বিশ্লেষণ

নিউজ সোর্স

হুথিদের হিসাব-নিকাশের পাঠ

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলো লক্ষ্য করে হুথিদের হামলা নিছক সামরিক অভিযান নয়; এর পেছনে রয়েছে মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি, ইয়েমেনের যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখা এবং আঞ্চলিক রাজনীতিতে ইরানের প্রভাব জোরদার করার বহুমাত্রিক হিসাব। সৌদি-সমর্থিত সরকারি ব

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।