Web Analytics

চলতি সপ্তাহে যুক্তরাজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটির কাছে গ্রেপ্তার এবং ইসরাইলগামী ফ্লাইদুবাই উড়োজাহাজের ককপিটে হামলার পর ইরানের দীর্ঘদিনের অসম যুদ্ধকৌশল আবার আলোচনায় এসেছে। যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতারা ইরানের সম্ভাব্য ভূমিকার ইঙ্গিত দিলেও শুক্রবার পর্যন্ত কোনো ঘটনার সঙ্গে তেহরানের নিশ্চিত যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ ঘাঁটির কাছের গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রমাণ প্রকাশ করেনি এবং একজন কর্মকর্তা ককপিট হামলার সঙ্গেও ইরানের যোগসূত্রের প্রমাণ নেই বলে জানিয়েছেন।

সরাসরি প্রচলিত যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির মোকাবিলা না করে কম খরচে চাপ সৃষ্টি করাই এ কৌশলের লক্ষ্য। এতে ড্রোন হামলা, ছোট হামলাকারী নৌযান, মাইন, জাহাজে হামলা এবং ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা অন্তর্ভুক্ত। ইরানের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবোলফজল শেকারচি একে প্রতিপক্ষের ব্যয়বহুল ভারী অস্ত্রের বিরুদ্ধে সহজ ও কার্যকর সরঞ্জাম ব্যবহারের কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইরান আঞ্চলিক দেশগুলোতে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে, ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে হুমকি তৈরি করেছে। ইরানপন্থি গোষ্ঠীগুলো দক্ষিণ লেবানন, ইয়েমেন, গাজা ও ইরাকে হামলা চালিয়েছে। তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করেছেন, প্রমাণ ছাড়া সব ঘটনার দায় ইরানের ওপর চাপানো ঠিক নয়; সাম্প্রতিক দুই ঘটনার তদন্ত চলমান।

04 Oct 26 1NOJOR.COM

সাম্প্রতিক দুই ঘটনার সঙ্গে ইরানের যোগসূত্র এখনো প্রমাণিত নয়

নিউজ সোর্স

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের যত অসম যুদ্ধকৌশল

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তির সঙ্গে সরাসরি প্রচলিত যুদ্ধে না গিয়ে কম খরচে চাপ তৈরি করাই ইরানের অসম যুদ্ধকৌশলের মূল লক্ষ্য। ড্রোন হামলা, ছোট হামলাকারী নৌযান, মাইন, জাহাজে হামলা এবং ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে আঘাত—দীর্ঘদিন ধরেই এসব কৌশল ব্যবহ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।