Web Analytics

২০২৬ সালের ১০ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের কৃষিতে ভেজাল ও অনিয়ন্ত্রিত বালাইনাশকের ব্যবহার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে, যা কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের জন্য বিপজ্জনক। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ৭৫ শতাংশ খাদ্য উৎপাদনের সময় অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও বালাইনাশক ব্যবহার করা হয়। অনেক কৃষক অসাধু বিক্রেতাদের ভুল পরামর্শে বিভিন্ন রাসায়নিক মিশিয়ে ‘ককটেল’ বালাইনাশক তৈরি করছেন, যা ফসল, মাটি ও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ২৭ শতাংশ কৃষক কীটনাশকজনিত অসুস্থতায় ভুগছেন। ভেজাল সার ও কীটনাশক বিক্রির কারণে কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। যদিও দেশে বিশুদ্ধ খাদ্য আইন, ভোক্তা অধিকার আইনসহ একাধিক আইন রয়েছে, এসব আইনের কার্যকর প্রয়োগের অভাবে অপরাধীরা শাস্তি এড়িয়ে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যেন তারা ডিলারের পরিবর্তে কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের পরামর্শে অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করেন এবং সরকারকে বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

10 Jul 26 1NOJOR.COM

ভেজাল বালাইনাশকে কৃষকের ক্ষতি ও খাদ্য নিরাপত্তা হুমকির মুখে

নিউজ সোর্স

ভুল পরামর্শে কৃষকের সর্বনাশ | আমার দেশ

ড. এম আব্দুল মোমিন
প্রকাশ : ১০ জুলাই ২০২৬, ১২: ১৮
আমাদের নাগরিক জীবনের অন্যতম উদ্বেগের নাম ‘ভেজাল’। এত দিন খাদ্যে ভেজালের সঙ্গে বর্তমানে যোগ হয়েছে উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত ভেজাল বালাইনাশক প্রদানের প্রবণতা। বাংলাদেশের কৃষিতে নতুন এই প্রবণতা উদ্বেগজনক

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।