Web Analytics

২১ মে বাংলাদেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট ও ডিজিটাল রূপান্তরের দুই দশক পূর্তি উদযাপিত হবে। ২০০৬ সালের এই দিনে কক্সবাজারে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-উই ৪’ উদ্বোধন করেন। এই ঐতিহাসিক মাইলফলক উপলক্ষে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) জাতীয় তথ্য অবকাঠামোর নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

২০০৫ সালের আগে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ সম্পূর্ণভাবে স্যাটেলাইটনির্ভর ছিল, ফলে ইন্টারনেটের গতি ছিল ধীর এবং খরচ ছিল বেশি। ‘সি-মি-উই ৪’ চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ সিঙ্গাপুর থেকে ফ্রান্স পর্যন্ত বৈশ্বিক নেটওয়ার্কে যুক্ত হয়, যার প্রাথমিক সক্ষমতা ছিল ২২ জিবিপিএস। ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলে ২০২৪ সালে এর সক্ষমতা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪,৬৫০ জিবিপিএস। এই সংযোগ দেশের ফ্রিল্যান্সিং, ই-কমার্স, মোবাইল ব্যাংকিং ও সরকারি ডিজিটাল সেবায় বিপ্লব ঘটিয়েছে।

এর ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-উই ৫’ চালু হয় এবং তৃতীয় ক্যাবল ‘সি-মি-উই ৬’ বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনটি ক্যাবল চালু হলে মোট সক্ষমতা হবে প্রায় ৩৮ টিবিপিএস, যা ২০২৭ সালের জাতীয় চাহিদার তিনগুণেরও বেশি। বিএসসিপিএলসি ইতোমধ্যে চতুর্থ ক্যাবল স্থাপনের প্রাথমিক উদ্যোগ নিয়েছে।

21 May 26 1NOJOR.COM

প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের ২০ বছর পূর্তি, ডিজিটাল সার্বভৌমত্বে নতুন অঙ্গীকার

নিউজ সোর্স

প্রথম সাবমেরিন ক্যাবলের ২০ বছর, বৈপ্লবিক পরিবর্তনে ভূমিকা খালেদা জিয়ার | আমার দেশ

বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ১৯: ০০আপডেট : ২০ মে ২০২৬, ১৯: ০৫
দেশে উচ্চগতির ইন্টারনেট বিপ্লব ও ডিজিটাল রূপান্তরের দুই দশক পূর্ণ হবে কাল (২১ মে)। ২০০৬ সালের ২১ মে কক্সবাজারে দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-উই ৪’ -এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।