Web Analytics

গত ২০ মাসে চট্টগ্রাম নগরীতে অন্তত ৩০টি টার্গেট কিলিং ঘটেছে, যেখানে ভুক্তভোগীরা হত্যার আগে হুমকি পেলেও পুলিশ কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে পারেনি। সর্বশেষ বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় ২৪ বছর বয়সী হাসান রাজুকে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা গুলি করে হত্যা করে, এতে পাশে থাকা ১২ বছরের এক শিশু আহত হয়। নিহতদের পরিবার ও স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, হুমকি, জিডি, পুলিশের নীরবতা এবং পরে হত্যাকাণ্ড—এই একই ধারা বারবার ঘটছে।

আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন, থানায় জিডি করার পর তা ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে, তদন্ত বা নজরদারি হয় না। পুলিশ কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, তারা নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেন। রাউজান উপজেলায় গত দুই বছরে ১৭টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, যার বেশিরভাগ রাজনৈতিক বিরোধ থেকে উদ্ভূত। স্থানীয়রা বলছেন, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও আধিপত্য বিস্তারের কারণে সংঘাত বাড়ছে।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা মনে করেন, রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও প্রতিরোধমূলক পুলিশিংয়ের অভাবেই সন্ত্রাসীরা সক্রিয়। তারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে বিশেষ অভিযান, অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম এবং হুমকির জিডি তদন্তে ৪৮ ঘণ্টার বাধ্যবাধকতা বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন।

09 May 26 1NOJOR.COM

চট্টগ্রামে হুমকি ও অভিযোগের পরও পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় টার্গেট কিলিং অব্যাহত

নিউজ সোর্স

থামছে না ‘টার্গেট কিলিং’, ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ পুলিশ | আমার দেশ

জমির উদ্দিন, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ০৯ মে ২০২৬, ১০: ২২আপডেট : ০৯ মে ২০২৬, ১০: ৪০
চট্টগ্রাম নগরীতে গত দুয়েক বছর ধরে কোনোভাবেই থামছে না ‘টার্গেট কিলিং’। মাত্র ২০ মাসে অন্তত ৩০টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এসব ঘটনার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই খুন হওয়ার আগে ভুক্তভোগীরা হুমক

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।