Web Analytics

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগ তদন্তে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ১ অক্টোবর অভিযুক্ত শিক্ষকদের বক্তব্য গ্রহণ এবং তাদের সনদ যাচাই করবে সংস্থাটি। এ বিষয়ে গত ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষককে দুদকের একটি অতীব জরুরি নোটিস পাঠানো হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিএড সনদ দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্যাম্পাস থেকে ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে নেওয়া বলে জানা গেছে। সনদ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষাপটে ২০১৬ সালে হাইকোর্টের রায়ের ভিত্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশ্ববিদ্যালয়টির সব কার্যক্রম ও আউটার ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করে। অভিযোগ যাচাই ও প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুদক আখতারুজ্জামানকে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে।

দুদকের নোটিসে শিক্ষকদের মূল বিএড সনদ, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। জরুরি কারণে কেউ উপস্থিত হতে না পারলে নথিগুলো অধ্যক্ষের জিম্মায় রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। অধ্যক্ষ অধ্যাপক লাল মোহাম্মদ ১ অক্টোবর শুনানির বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, দুদকের কার্যক্রম দেখে প্রতিষ্ঠান পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

28 Sep 26 1NOJOR.COM

২৩ শিক্ষকের বিএড সনদ যাচাই ও বক্তব্য নিতে ১ অক্টোবর দুদকের শুনানি

নিউজ সোর্স

২৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষকের বিরুদ্ধে জাল সনদ নিয়ে চাকরির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্তে উদ্যোগ নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এসব শিক্ষকের বিএড সনদ বর্তমানে বন্ধ ঘোষিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত বলে জানা গেছে।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।