Web Analytics

চট্টগ্রামের রাউজানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, নিহতদের মধ্যে ২০ জন রাজনৈতিক বিরোধের শিকার। বিএনপির নেতা ও সংসদ সদস্য গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারীদের দ্বন্দ্বকে এসব হত্যাকাণ্ডের প্রধান কারণগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বাড়ির সামনে, বাজারে ও ব্যস্ত সড়কে প্রকাশ্যে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

প্রতিবেদনে রাজনৈতিক আধিপত্য, বালু-মাটির ব্যবসা, চাঁদাবাজি এবং দখলদারত্বের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের অভিযোগের কথা বলা হয়েছে। স্থানীয়দের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী ১০ জন এবং গোলাম আকবর খন্দকারের অনুসারী পাঁচজন রয়েছেন। এলাকায় কয়েকটি সক্রিয় গ্রুপের কথাও উঠে এসেছে, যদিও দুই নেতা নিজেদের সঙ্গে এসব গ্রুপের নিয়ন্ত্রণের সম্পর্ক অস্বীকার করেছেন।

গত বছরের ২৯ জুলাই সত্তারহাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে এবং গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর দলীয় পদ স্থগিত করে। কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবর রহমান শামিম বলেন, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, আসামি গ্রেপ্তার ও অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে।

29 Oct 26 1NOJOR.COM

রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক নিয়ন্ত্রণের দ্বন্দ্বে রাউজানে ৩৫ জন নিহতের দাবি

নিউজ সোর্স

রাউজানে বিএনপির দুই নেতার লড়াইয়ে দুই বছরে ৩৫ খুন

বাড়ির সামনে, বাজারের দোকানে কিংবা ব্যস্ত সড়কে—চট্টগ্রামের রাউজানে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটছে প্রকাশ্যে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে চলতি বছরের ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত উপজেলায় নিহত হয়েছেন ৩৫ জন। তাদের মধ্যে ২০ জন রাজনৈতিক বিরোধের

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।