Web Analytics

আধুনিক চীনের অন্যতম রূপকার হিসেবে পরিচিত মাও সে তুং পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সহকারী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে পরে কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতা হন। ১৮৯৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর হুনান প্রদেশের শাওশানে তুলনামূলক সচ্ছল কৃষক পরিবারে তাঁর জন্ম। ১৯১১ সালে রাজতন্ত্র পতনের পর চীনের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৯২০ সালের শুরুর দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজের সময় মার্ক্সবাদী সাহিত্য পড়েন এবং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লি দাজাও ও চান্দু শীলের প্রভাবে মার্ক্সবাদে আকৃষ্ট হন।

মাও কৃষকদের সংগঠিত করেন, কমিউনিস্ট শক্তি গড়ে তোলেন এবং জাতীয়তাবাদীদের দমন-পীড়নের মুখে ১৯৩৪ সালে লংমার্চ পরিচালনা করেন। প্রায় ছয় হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে উত্তর-পশ্চিমের ইয়ানআনে পৌঁছায় কমিউনিস্টদের মাত্র ১০ শতাংশ, অর্থাৎ আট হাজার সদস্য। জাপানি আগ্রাসন ও পরবর্তী গৃহযুদ্ধের সময়ে কমিউনিস্টদের ভূমি সংস্কার কর্মসূচি গ্রামীণ মানুষের সমর্থন পায়।

গৃহযুদ্ধে জয়ের পর ১৯৪৯ সালের ১ অক্টোবর মাও গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন। পরে তাঁর গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড নীতির ফলে কৃষি উৎপাদন কমে তীব্র দুর্ভিক্ষে তিন কোটির বেশি মানুষের মৃত্যু হয় বলে উৎসে উল্লেখ আছে। ১৯৬৬ সালের সাংস্কৃতিক বিপ্লবে নির্যাতন, সাংস্কৃতিক ধ্বংস ও ১৫ লাখ মানুষের মৃত্যু ঘটে। মাও ১৯৭৬ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মারা যান।

09 Sep 26 1NOJOR.COM

গ্রন্থাগার সহকারী থেকে চীনের নেতা হওয়া মাওয়ের উত্থান ও বিতর্কিত উত্তরাধিকার

নিউজ সোর্স

লাইব্রেরি সহকারি থেকে চীনের বিপ্লবী নেতা মাও সে তুং

কমিউনিস্ট নেতা মাও সে তুংকে আধুনিক চীনের অন্যতম রূপকার বলা হয়। অথচ জীবনের শুরুর দিকে তিনি ছিলেন পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাধারণ লাইব্রেরি সহকারী বা গ্রন্থাগার সহকারী।
১৮৯৩ সালের ২৬ ডিসেম্বর মধ্য চীনের হুনান প্রদেশে যখন মাও সে তুংয়ের জন্ম হয়, তখন দে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।