Web Analytics

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় পর্যটন বিকাশের লক্ষ্যে নেওয়া মেগা প্রকল্পটি থমকে গেছে; অযত্নে বেহাল হয়ে পড়েছে সিটিজেন পার্ক ও বড়ঘোপ স্টিমারঘাটের স্থাপনা। সাত বছর আগে তৎকালীন নির্বাহী অফিসার সুজন চৌধুরী থানার পুকুরসংলগ্ন ভূমি অফিসের সামনে সিটিজেন পার্ক প্রকল্প নেন। এতে বলাকা পানির ফোয়ারা, গেট, দেয়ালচিত্র, জীবজন্তুর ম্যুরাল এবং মাছ ও ফলের ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়। স্টিমারঘাটে তৈরি হয় বসার স্থান ও ডলফিন ভাস্কর্য।

দুই স্থানে প্রায় ২০টি ভাস্কর্য নির্মাণে কয়েক দফায় প্রায় ১৩ লাখ টাকা ব্যয় হলেও পরে অজ্ঞাত কারণে প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। অবহেলায় কয়েকটি ম্যুরাল ভেঙে গেছে এবং অন্যগুলোর রঙ উঠে গেছে। এনজিওকর্মী উম্মে খাইরুন্নেছা উর্মী বলেন, শিশুদের নিয়ে অনেকে এখানে বেড়াতে ও ম্যুরালের পাশে ছবি তুলতে আসেন; সংস্কার হলে স্থানীয় পর্যটকদের নিয়মিত আসা বাড়তে পারে।

কারিগর মাহাবুব জানান, বলাকা পানির ফোয়ারায় বিদ্যুৎ ও পানির লাইন আছে, তবে সংযোগের মোটর চুরি হওয়ার পর আর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজানুর রহমান বলেন, সিটিজেন পার্কের জন্য আলাদা প্রকল্প নেই, তবে নতুন শিশু পার্ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি সিটিজেন পার্ক ও স্টিমারঘাটের ক্ষতিগ্রস্ত ম্যুরাল সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান।

01 Sep 26 1NOJOR.COM

থমকে থাকা প্রকল্পে কুতুবদিয়ার সিটিজেন পার্ক ও স্টিমারঘাটের ভাস্কর্য বেহাল

নিউজ সোর্স

ভেস্তে গেছে কুতুবদিয়ায় পর্যটন বিকাশে মেগা প্রকল্প

কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় সম্ভাবনাময় পর্যটন বিকাশে মেগা প্রকল্পটি ভেস্তে গেছে। সুস্থ বিনোদনবঞ্চিত দ্বীপে ২৫ কিলোমিটারজুড়ে সমুদ্রসৈকত থাকলেও সৌন্দর্যবর্ধন বা উন্নয়নে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। সাত বছর আগে তৎকালীন নির্বাহী অফিসার সুজন চৌধুরী থানার পুক

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।