Web Analytics

বগুড়ার ২৫০ শয্যার মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে নির্মিত ১০ শয্যার বার্ন ইউনিটটি অগ্নিদগ্ধ রোগীদের চিকিৎসা শুরু হওয়ার আগেই আইসিইউ ও সিসিইউতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রায় ৩ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণকাজ ২০১৯ সালের অক্টোবরে শেষ হলেও জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবে ইউনিটটি তালাবদ্ধ ছিল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯ আগস্ট পরিদর্শনে এসে স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী জানান, মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাড়া পৃথক বার্ন ইউনিট চালু সম্ভব নয়।

ইউনিটে দুটি বিশেষায়িত ওয়ার্ড, অস্ত্রোপচার কক্ষ, পর্যবেক্ষণ ইউনিট, চিকিৎসকদের চেম্বার ও বিশ্রামকক্ষ রয়েছে। এটি চালুর জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে একাধিকবার চিঠি দিলেও চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীর পদ সৃষ্টি হয়নি এবং কোনো যন্ত্রপাতিও বরাদ্দ মেলেনি। সর্বশেষ ২ আগস্টও জনবল ও সরঞ্জাম চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

গত তিন বছরে বগুড়ার দুটি সরকারি হাসপাতালে ৩৮৯ জন অগ্নিদগ্ধ রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন; উন্নত চিকিৎসার জন্য ৩৮ জনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা বার্ন ইউনিট চালুর দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, বিশেষায়িত সেবা না থাকায় গুরুতর রোগীদের ঢাকায় নিতে হয়।

27 Sep 26 1NOJOR.COM

বগুড়ার অব্যবহৃত বার্ন ইউনিট আইসিইউ ও সিসিইউতে রূপান্তরের প্রক্রিয়া শুরু

নিউজ সোর্স

উদ্বোধনের আগেই ‘মৃত’ বগুড়ার বার্ন ইউনিট

ছয় বছর আগে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ শেষ হলেও চালু হয়নি বগুড়ার ১০ শয্যার বার্ন ইউনিট। প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসা সরঞ্জাম না থাকায় এত দিন তালাবদ্ধ পড়ে থাকা ইউনিটটি এবার অগ্নিদগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার জন্য না খুলে আইসিইউ ও সিসিইউ হিসেবে ব্যবহারের উদ্যো

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।