Web Analytics

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা সনদ লঙ্ঘনের অভিযোগে গাম্বিয়ার করা মামলাটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে বিবেচনাধীন রয়েছে। গাম্বিয়া ২০১৯ সালে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে মামলা করে, ২০২২ সালে আদালত মিয়ানমারের প্রাথমিক আপত্তি খারিজ করেন এবং চলতি বছরের জানুয়ারিতে মূল বিষয়বস্তুর শুনানি নেয়। গাম্বিয়ার বিচারমন্ত্রী অক্টোবরে রায় প্রত্যাশার কথা বললেও আদালত এখনো রায়ের তারিখ ঘোষণা করেনি।

লেখাটিতে বলা হয়েছে, গণহত্যার রায় হলে দায়টি শুধু সামরিক নেতা বা বর্তমান শাসকদের নয়, মিয়ানমার রাষ্ট্রের ওপরই বর্তাবে। সরকার পরিবর্তন হলেও রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা বিলীন হবে না। সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণ দেশের বিভিন্ন অংশে দুর্বল হয়েছে, রাখাইনের বড় অংশ আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে এবং ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট ফেডারেল ভবিষ্যতের লক্ষ্য সামনে রেখেছে বলেও এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

লেখকের মতে, কার্যকর জবাবদিহির জন্য নিন্দার বাইরে যেতে হবে। সমান ভিত্তিতে নাগরিকত্ব, সম্পত্তির অধিকার, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা এবং স্বেচ্ছায় নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের সুযোগ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। ২০১৭ সালের গণ-উচ্ছেদের নয় বছর পরও বাংলাদেশে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন বলে লেখাটিতে উল্লেখ রয়েছে।

21 Sep 26 1NOJOR.COM

আইসিজের রায় রোহিঙ্গাদের প্রতি মিয়ানমারের দায় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে

নিউজ সোর্স

মিয়ানমার কি গণহত্যার জন্য দোষী সাব্যস্ত হবে

আমার ‘দ্য রোহিঙ্গা: ইনসাইড মিয়ানমারস হিডেন জেনোসাইড’ বইটি ২০১৬ সালে প্রকাশিত হয়। বইটিতে আমিই প্রথম যুক্তি তুলে ধরেছিলাম কেন রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো নিপীড়নকে ‘গণহত্যা’ হিসেবেই দেখা উচিত। সেই সময়ে ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করাও ছিল কঠিন একটি কাজ। আমি বছর

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।