Web Analytics

খুলনার পাইকগাছার খড়িয়া নবারুন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীপক চন্দ্র সরকারের ভারতীয় নাগরিকত্বের প্রমাণ মিলেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রশাসনিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে স্কুলে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা এবং নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। দ্বৈত নাগরিকত্বসহ একাধিক অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলেও তিনি এখনো পদে বহাল আছেন, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

তদন্তে দেখা গেছে, দীপক চন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও খুলনার লস্কর ইউনিয়নে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালে তিনি আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে কর্মচারী নিয়োগ দেন, যার পরিমাণ প্রায় ৩০ লাখ টাকা। ২০২২–২৩ অর্থবছরের প্রণোদনা অনুদান ব্যয়ে অনিয়ম ও ভুয়া বিল ভাউচারের প্রমাণও পাওয়া গেছে।

২০২৪ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে একাধিক প্রশাসনিক তদন্তে তার ভারতীয় নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা হয় এবং বিদেশি নাগরিকের এমপিওভুক্ত পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। বিষয়টি গুরুতর উল্লেখ করে জেলা প্রশাসন উচ্চ কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নিতে জানালেও এখনো কোনো অগ্রগতি হয়নি। দীপক চন্দ্র সরকার অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেকে বাংলাদেশের নাগরিক দাবি করেছেন।

29 Jun 26 1NOJOR.COM

খুলনার প্রধান শিক্ষকের ভারতীয় নাগরিকত্ব ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ

নিউজ সোর্স

ভারতীয় নাগরিক হয়েও প্রধান শিক্ষকের পদে দীপক চন্দ্র | আমার দেশ

এহতেশামুল হক শাওন, খুলনা
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০২৬, ১০: ৪৫
খুলনার পাইকগাছায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ভারতীয় নাগরিকত্ব থাকার প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া, তার বিরুদ্ধে স্কুলে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা ও নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।