Web Analytics

এই মন্তব্যধর্মী লেখায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের শাসনামল-সংক্রান্ত অভিযোগের জবাবদিহি নিশ্চিত হওয়ার আগে ‘পুনর্মিলন’, ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ বা রাজনৈতিক পুনর্বাসনের আলোচনা হওয়া উচিত নয়। লেখাটি বলছে, ভঙ্গুর রাষ্ট্রব্যবস্থার ওপর নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার পরও দলটির রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে; তবু তাদের সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন নিয়ে আলোচনা জনমনে প্রশ্ন তুলছে।

লেখক বিরোধী মত দমন, গুম, খুন, নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, ভোটাধিকার হরণ, আয়নাঘরকেন্দ্রিক গোপন আটক ও নির্যাতন, দুর্নীতি, অর্থ পাচার এবং ধর্মীয় অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করেছেন। পিলখানা, জুলাই গণঅভ্যুত্থান, শাপলাচত্বর এবং বিডিআর-সংক্রান্ত ঘটনার প্রশ্নগুলোর বিচারিক নিষ্পত্তি ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর প্রতিকারের প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরা হয়েছে।

লেখাটির মতে, প্রকৃত পুনর্মিলনের ভিত্তি হলো দায়ীদের জবাবদিহি, বিচার, ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিকার এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার নিশ্চয়তা। বিএনপি সরকারের প্রতি স্বাধীন তদন্ত, স্বচ্ছ নীতিমালা ও বিচারপ্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল এবং জামায়াত-বিএনপির পারস্পরিক অভিযোগকে নতুন রাজনৈতিক মেরূকরণের ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

04 Nov 26 1NOJOR.COM

আওয়ামী লীগ পুনর্বাসন আলোচনার আগে জবাবদিহি ও বিচারের দাবি

নিউজ সোর্স

আওয়ামী লীগ পুনর্মিলনের আলোচনার আড়ালে

‘শর্তপূরণ’, ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’, ‘রিকনসিলিয়েশন’—শব্দগুলো যতই মার্জিত হোক, শব্দের সৌন্দর্য দিয়ে মানুষের হারানো অধিকার ফিরে আসে না। গুম হওয়া মানুষ ফিরে আসে না, হত্যার বিচার সম্পন্ন হয় না, নির্যাতিত পরিবারের ক্ষত শুকিয়ে যায় না, লুণ্ঠিত অর্থনীতির ক্ষতি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।