Web Analytics

মা ইলিশের প্রজনন সুরক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা চললেও দেশের বিভিন্ন নদীতে অবৈধ ইলিশ শিকার ও বিক্রি অব্যাহত রয়েছে। মঙ্গলবার বরিশালের উজিরপুরে সন্ধ্যা নদীতে মাছ ধরার সময় আটক ইমরান খলিফাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। মুন্সীগঞ্জ, পটুয়াখালী, নাটোর ও মাদারীপুরেও প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ অভিযান পরিচালনা করেছে।

টঙ্গিবাড়ীতে পদ্মা নদী থেকে ২০টি অবৈধ চায়না চাই জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ফেলা হয়। কলাপাড়ায় দুই জেলেকে আটক, একটি ট্রলার ও এক হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়; একজনকে এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সিংড়ার চলনবিলে ১০০টির বেশি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল ধ্বংস করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় চার লাখ টাকা।

শিবচরে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পদ্মা নদীতে ইলিশ ধরা এবং অস্থায়ী হাটে ডিমওয়ালা মা ইলিশ বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, দুর্গম চরাঞ্চল, জনবলসংকট, সীমিত বরাদ্দ ও অভিযানের খবর আগেভাগে ছড়িয়ে পড়ায় অবৈধ শিকার পুরোপুরি বন্ধ করা কঠিন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ জেলেকে আটক করে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

15 Oct 26 1NOJOR.COM

অভিযান ও আটকের পরও বিভিন্ন নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার চলছে

নিউজ সোর্স

কোনো কিছুতেই বন্ধ হচ্ছে না ইলিশ শিকার

নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ ধরা অব্যাহত রেখেছে অসাধু জেলেরা। ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানেও বন্ধ হচ্ছে না ইলিশ শিকার। নদীতে ইলিশ ধরে পাড়েই বসানো হচ্ছে মাছের বাজার। ভ্রাম্যমাণ আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অবাধে শিকার করা হচ্ছে ইলিশ।
উজিরপুর (বরিশাল)

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।