Web Analytics

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী ধানচাষ অলাভজনক হয়ে পড়ায় কৃষকরা উন্নত জাতের নেপিয়ার ঘাস চাষে ঝুঁকছেন। সেচপ্রকল্পের অভাব, জোয়ারের পানিতে ফসলি জমি ভরাট, শ্রমিকের বাড়তি মজুরি এবং দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতাকে ধানচাষের প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করছেন তারা। কেউ নিজস্ব ডেইরি খামারের পশুখাদ্যের জন্য ঘাস উৎপাদন করছেন, আবার কেউ খামারিদের কাছে জমি ইজারা দিয়ে ধানের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি লাভের কথা বলছেন।

শিকলবাহা ইউনিয়নের পূর্ববিল, কালারপোল, বেল্লাপাড়া ব্রিজ এলাকা ও জুলধা পর্যন্ত মাঠে ধানের বদলে নেপিয়ার ঘাস দেখা গেছে। চরলক্ষ্যা, জুলধা ও বড়উঠানেও ঘাস চাষ বাড়ছে; এতে শীতকালীন শাকসবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহ কমছে। কৃষকদের হিসাবে, বিআরআরআই-২৮ বা বিআরআরআই-২৯ ধানে বিঘাপ্রতি বছরে সর্বোচ্চ ২০ মণ ফলন হলেও চারা, সার, সেচ ও শ্রমিকের খরচ তোলা কঠিন।

বিঘাপ্রতি ঘাস চাষে চারা, শ্রমিক ও সার বাবদ প্রায় ৪ হাজার ৮০০ টাকা লাগে এবং একবার রোপণের পর বছরে পাঁচ থেকে ছয়বার ঘাস কাটা যায়। তবে ঘাস লাগানোর পর ওই জমিতে আবার ধান চাষ কঠিন হতে পারে। উপজেলায় কয়েক শতাধিক ডেইরি খামারে ২৫ হাজারের বেশি গবাদিপশু রয়েছে। চলতি মৌসুমে ১ হাজার ৩৮১ হেক্টরে ধান চাষ হয়েছে, যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ১১৩ টন।

06 Nov 26 1NOJOR.COM

খরচ ও জলাবদ্ধতায় কর্ণফুলীর কৃষকরা ধানের বদলে নেপিয়ার ঘাস চাষে ঝুঁকছেন

নিউজ সোর্স

ধান ছেড়ে ঘাস চাষে ঝুঁকছেন কৃষক

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় দিনদিন অলাভজনক হয়ে উঠছে ঐতিহ্যবাহী ধানচাষ। সেচপ্রকল্পের অভাব, জোয়ারের পানিতে ফসলি জমি ভরাট, শ্রমিকের বাড়তি মজুরি ও দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকরা এখন বিকল্প আবাদের পথ খুঁজছেন। এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতে উপজেলার আবা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।