Web Analytics

একটি মতামতধর্মী লেখায় বাংলাদেশে ১৬ বছরের কম বয়সি শিশুদের বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে অ্যাকাউন্ট খোলা বা পরিচালনা ঠেকাতে আইন প্রণয়নের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। লেখাটিতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল যুগে শিশু সুরক্ষা শুধু অভিভাবকদের ব্যক্তিগত দায়িত্ব নয়, এটি জননীতি ও সরকারের দায়িত্ব। তবে প্রস্তাবিত উদ্যোগটি ইন্টারনেট নিষেধাজ্ঞা নয়; শিক্ষামূলক ওয়েবসাইট, সাধারণ ব্রাউজিং, সরকারি সেবা ও বয়স-উপযোগী যোগাযোগের সুযোগ খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে।

লেখাটি অস্ট্রেলিয়ার উদাহরণ দিয়েছে, যেখানে ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে আওতাভুক্ত প্ল্যাটফর্মে ১৬ বছরের কম বয়সিদের অ্যাকাউন্ট ঠেকানোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং দায়িত্ব প্ল্যাটফর্মগুলোর ওপর রাখা হয়েছে। আইন না মানলে সর্বোচ্চ ৪৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার জরিমানার কথা বলা হয়েছে। যুক্তরাজ্যও ২০২৭ সালের বসন্তে সুরক্ষাব্যবস্থা কার্যকরের লক্ষ্য নিয়ে আইনের পরিকল্পনা জানিয়েছে।

ইউনিসেফ-সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ৬৩ শতাংশ শিশু প্রধানত নিজেদের কক্ষে ইন্টারনেট ব্যবহার করে এবং ৩২ শতাংশ উত্তরদাতা অনলাইনে বুলিংয়ের শিকার হয়েছে। লেখাটিতে গোপনীয়তাসুরক্ষিত বয়স যাচাই, প্ল্যাটফর্মের জবাবদিহি, স্কুলে ডিজিটাল নিরাপত্তা শিক্ষা এবং স্বাধীন নিয়ন্ত্রক সংস্থাসহ জাতীয় শিশু ডিজিটাল নিরাপত্তা কাঠামোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

07 Sep 26 1NOJOR.COM

শিশু সুরক্ষায় বাংলাদেশে ১৬ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিধিনিষেধের আহ্বান

নিউজ সোর্স

ডিজিটাল যুগে শিশু সুরক্ষা

ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শৈশবকে সুরক্ষা দেওয়া এখন আর শুধু অভিভাবকদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের বিষয় নয়; এটি একটি জননীতি এবং সরকারের দায়িত্বের বিষয়।
নিঃসন্দেহে, সমকালীন বিশ্বে স্মার্টফোন শিশুদের ওপর প্রভাব বিস্তারকারী অন্যত

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।