Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতিত্বে ২০২৬ সালের জি-২০ সম্মেলন ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হলেও ভূরাজনৈতিক বিভাজন, জলবায়ু নীতি ও অংশগ্রহণসংক্রান্ত মতবিরোধ ফোরামটির বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলার সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের এই সভাপতিত্ব তার আন্তর্জাতিক অগ্রাধিকার বাস্তবায়ন এবং বহুপক্ষীয় কূটনীতির কার্যকারিতা—উভয়েরই পরীক্ষা হয়ে উঠছে।

দক্ষিণ আফ্রিকার অংশগ্রহণ নিয়ে বড় বিরোধ তৈরি হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত জি-২০ কার্যক্রম বর্জন করেছিল। এবার যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজিত জি-২০ সংশ্লিষ্ট কর্মসূচিতে দক্ষিণ আফ্রিকাকে আমন্ত্রণ না দিয়ে পোল্যান্ডকে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়ায় ফ্রান্সসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, পূর্ণ সদস্যকে বাইরে রাখা ফোরামের অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

মার্কো রুবিওর বর্ণিত ‘নতুন জি-২০’ এজেন্ডায় জ্বালানি নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি, অভিবাসন, নিয়ন্ত্রণ কমানো ও বিদেশি বিনিয়োগ অগ্রাধিকার পাচ্ছে। এতে জলবায়ু, পরিবেশগত টেকসই উন্নয়ন ও জ্বালানি রূপান্তর নিয়ে ডিসেম্বরের খসড়া যৌথ ঘোষণায় ঐকমত্য কঠিন হতে পারে। রাশিয়া ভিসা ও স্বীকৃতিসংক্রান্ত বাধার অভিযোগ করেছে; এপ্রিলে জি-২০ অর্থমন্ত্রীদের বৈঠক যৌথ বিবৃতি ও সংবাদ সম্মেলন ছাড়াই শেষ হয়।

11 Oct 26 1NOJOR.COM

দক্ষিণ আফ্রিকা, জলবায়ু অগ্রাধিকার ও অংশগ্রহণ বিরোধে চাপে মার্কিন জি-২০ সভাপতিত্ব

নিউজ সোর্স

জি-২০ জোটের সম্মেলন ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্রের সভাপতিত্বে ২০২৬ সালের জি-২০ সম্মেলন ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। তবে একই সময়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ভূরাজনৈতিক বিভাজন, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে মতপার্থক্য এবং আন্তর্জাতিক ফোরামে অংশগ্রহণের প্রশ্নে বিরোধ বাড়ায় বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।