Web Analytics

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনার শাসনামলে বাস্তবায়িত আশ্রয়ণ প্রকল্পের বহু ঘর এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় পরিত্যক্ত, তালাবদ্ধ বা ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে। ১৯৯৭ সালে শুরু হওয়া এবং পরে আশ্রয়ণ-২ নামে সম্প্রসারিত কর্মসূচিতে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে ১১ হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে বলে তথ্য রয়েছে। এতে জমিসহ সেমিপাকা একক ঘর পেয়েছে পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ৫৩টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবার।

প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রকৃত দরিদ্রদের বদলে দলীয় কর্মী ও সচ্ছল ব্যক্তিদের নামে ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল এবং দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়নি। ২০২২ সালে ঘরপ্রতি নির্মাণব্যয় এক লাখ ৭১ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ ৬৪ হাজার টাকা করা হলেও নির্মাণমান, বৃষ্টিতে পানি ঢোকা, বাতাসে চাল উড়ে যাওয়া এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। প্রথম দুই পর্যায়ে প্রায় ৫,৫১২ একর খাসজমি বরাদ্দের তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা, নীলফামারী, কিশোরগঞ্জ, ফরিদপুর, গাজীপুর ও খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকায় খালি ও তালাবদ্ধ ঘরের তথ্য পাওয়া গেছে। পাইকগাছায় ঘর বিক্রির অভিযোগও উঠেছে; প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু অনিয়ম খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন এবং বিচ্ছিন্ন অবস্থান ও কর্মসংস্থানের অভাবকে বাসিন্দাদের চলে যাওয়ার কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

20 Oct 26 1NOJOR.COM

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বহু ঘর পরিত্যক্ত; বরাদ্দ অনিয়ম ও রক্ষণাবেক্ষণ ঘাটতির অভিযোগ

নিউজ সোর্স

হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্পের হতদরিদ্র অবস্থা

ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে থাকা শেখ হাসিনার আমলের আশ্রয়ণ প্রকল্পের বহু ঘর এখন পড়ে আছে পরিত্যক্ত অবস্থায়। কোথাও ঘরে তালা ঝুলছে, কোথাও ভেঙে পড়েছে চাল-বেড়া, আবার কোথাও চুরি হয়ে গেছে পানির মোটর ও জানালা। বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে অনেক ঘর।
জানা গেছে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।