Web Analytics

ফিলিস্তিনি শিক্ষক হাদিল জুরোব মিসরের উত্তর সিনাইয়ের উপকূলীয় শহর এল-আরিশে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা থেকে বাস্তুচ্যুত শিশুদের জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। গাজা থেকে পালিয়ে মিসরে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৪০০ শিশু এখন সেখানে পড়াশোনা করছে। গাজা সীমান্ত থেকে প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দূরের এল-আরিশে এসব শিশুর জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষার সুযোগ না থাকায় তিনি এ উদ্যোগ নেন। স্কুলটিতে ৬ থেকে ১৮ বছর বয়সি শিক্ষার্থীরা পড়ছে।

এএফপিকে জুরোব বলেন, মিসরে পালিয়ে আসা শিশুদের জন্য কোনো স্কুল বা শিক্ষার ব্যবস্থা ছিল না, তাই তিনি শিক্ষাকেন্দ্র চালুর সিদ্ধান্ত নেন। জুরোব নিজেও যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত হন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে হামাসের ইসরাইলে হামলার পর ইসরাইলের সামরিক অভিযান শুরু হলে প্রায় ছয় মাস পর তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গাজা ছাড়েন এবং পরে এল-আরিশে আশ্রয় নেন।

শুরুতে কয়েকজন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি শিক্ষককে নিয়ে ভাড়া করা একটি ভবনে অল্পসংখ্যক শিশুকে পড়ানো শুরু করেন জুরোব। পরে এটি বিনা মূল্যের পূর্ণাঙ্গ স্কুলে পরিণত হয়; প্রথম বছরে শিক্ষার্থী ছিল প্রায় ১৫০ জন। ভবনভাড়া ও শিক্ষা উপকরণের ব্যয়ে এখন সহায়তা করছে মিসর এল খেইর ফাউন্ডেশন। উত্তর সিনাইয়ে এটিই বর্তমানে একমাত্র ফিলিস্তিনি স্কুল।

04 Oct 26 1NOJOR.COM

এল-আরিশে ফিলিস্তিনি শিক্ষকের স্কুলে পড়ছে গাজার বাস্তুচ্যুত প্রায় ৪০০ শিশু

নিউজ সোর্স

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার শিশুদের জন্য মিসরে স্কুল গড়লেন ফিলিস্তিনি শিক্ষক

মিসরের উত্তর সিনাইয়ের উপকূলীয় শহর এল-আরিশে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার বাস্তুচ্যুত শিশুদের জন্য একটি স্কুল গড়ে তুলেছেন ফিলিস্তিনি শিক্ষক হাদিল জুরোব। গাজা থেকে পালিয়ে মিসরে আশ্রয় নেওয়া শত শত শিশুর মধ্যে প্রায় ৪০০ জন বর্তমানে এই স্কুলে পড়াশোনা করছে।
গাজা সীমা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।