Web Analytics

বাংলাদেশে নার্সিং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়লেও জনবল সংকট ও প্রশিক্ষণের মান নিয়ে বড় উদ্বেগ রয়ে গেছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় ৩ হাজার ২০০ চিকিৎসকের বিপরীতে নার্স আছেন প্রায় ২ হাজার ৬০০ জন। প্রতিবেদনে উল্লিখিত আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে একজন চিকিৎসকের বিপরীতে তিনজন নার্স প্রয়োজন; সে হিসাবে সেখানে প্রায় ৯ হাজার ৬০০ নার্স দরকার এবং ঘাটতি প্রায় ৭৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কাউন্সিলের হিসাবে, ১ লাখ ৩৬ হাজার ৭৯৩ নিবন্ধিত চিকিৎসকের বিপরীতে ধাত্রীসহ নার্স আছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৬১৩ জন, অর্থাৎ চিকিৎসকপ্রতি ১ দশমিক ১২ জন। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রয়োজন ৪ লাখ ১০ হাজার ৩৭৯ জন; ঘাটতি ২ লাখ ৫৬ হাজার ৭৬৬ জন বা ৬২ দশমিক ৬ শতাংশ। ডব্লিউএইচওর প্রতি ১০ হাজার মানুষের জন্য ২৩ নার্সের মানদণ্ডের বিপরীতে দেশে আছেন প্রায় ছয়জন। এসএনএসআরের জরিপে কর্মরত ৯২ শতাংশ নার্সের মানসিক সমস্যার কথা এবং ৯৬ শতাংশের কম বেতন পাওয়ার তথ্য এসেছে।

২০১০ সালের ৮৭টি থেকে নার্সিং ইনস্টিটিউট ও কলেজ বেড়ে ৪৬৪টিতে দাঁড়ালেও শূন্যপদ ও বেকারত্ব রয়েছে। ৫ অক্টোবর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ১ হাজার ১৫টি শূন্য পদের মধ্যে ৯১৪ জন মিডওয়াইফ নিয়োগের প্রস্তাব পিএসসিতে পাঠিয়েছে।

14 Oct 26 1NOJOR.COM

প্রতিষ্ঠান বাড়লেও নার্স সংকট, প্রশিক্ষণ ও সেবার মান নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে

নিউজ সোর্স

নার্সিং প্রতিষ্ঠান বাড়লেও গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন

দেশে নার্সিং প্রতিষ্ঠান বাড়লেও শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের কারিকুলাম আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী করা হয়নি। যথাযথ প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে পারছে না প্রতিষ্ঠানগুলো। এর প্রভাব পড়ছে পেশাগত জীবনে। অপেশাদার আচরণ ও দায়িত্বে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।