Web Analytics

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের রাজশাহী কার্যালয়ে দালালনির্ভর ঘুষের সিন্ডিকেটের অভিযোগ উঠেছে একটি প্রতিবেদনে। এতে বলা হয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারী, আনসার সদস্য ও বহিরাগত দালালদের যোগসাজশে ড্রাইভিং লাইসেন্স, রিনিউ, ক্লাস উন্নয়ন, স্মার্টকার্ড বায়োমেট্রিক, গাড়ির ফিটনেস ও নম্বর প্লেট অনুমোদনের সেবাগ্রহীতারা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। দালালকে টাকা না দিলে পরীক্ষায় ফেল করানো বা ফাইল আটকে রাখার অভিযোগও রয়েছে।

প্রতিবেদনে শিক্ষার্থী, মাদরাসা শিক্ষক, গাড়ির মালিক ও ড্রাইভিং প্রশিক্ষণার্থীদের বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। তাদের কেউ কেউ পাস নিশ্চিত করতে বা ঝামেলা এড়াতে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার কথা বলেছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রিলিমিনারি ও ভাইবায় পাস নিশ্চিত করতে তিন হাজার টাকা, যৌথ কার ও মোটরসাইকেল লাইসেন্সে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা এবং পরীক্ষা ছাড়া লাইসেন্সে সাত হাজার টাকা নেওয়া হয়। অনফিট গাড়িকে ফিটনেস সনদ দেওয়া এবং ড্রাগ টেস্ট বাদ দেওয়ার অভিযোগও আছে।

বিআরটিএ রাজশাহী সার্কেলের সহকারী পরিচালক মো. শাহজামান হক বলেন, এ ধরনের কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। অনলাইনে রিনিউ হওয়ায় অতিরিক্ত টাকা দাবির অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ ভুয়া বলেছেন। তিনি জানান, খাতায় পাস থাকলে কাউকে ফেল করানো সম্ভব নয়, তবে ফেল করা কাউকে পাস করানোর ক্ষেত্রে ‘১৯-২০’ থাকতে পারে। অভিযোগ ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক করা এবং মনিটরিং বাড়ানোর কথা বলেন তিনি।

02 Nov 26 1NOJOR.COM

রাজশাহী বিআরটিএ কার্যালয়ে ঘুষ ও দালালচক্রের প্রভাবের অভিযোগ

নিউজ সোর্স

দালাল সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্যে জিম্মি সেবাগ্রহীতারা

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) রাজশাহী কার্যালয় দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান, রিনিউ ও ক্লাস উন্নয়ন, স্মার্টকার্ড বায়োমেট্রিক, গাড়ি ফিটনেস প্রসেসিং কিংবা নম্বর প্লেট অনুমোদন ঘিরে গড়ে উঠেছে দালালচক্রের বিশাল স

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।