Web Analytics

একটি বাংলা মতামতধর্মী নিবন্ধে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণে ভারতের কথিত অনীহা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। লেখক বলেছেন, বাংলাদেশের একটি আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের পর ঢাকা তাকে ফেরত চেয়েছে। নিবন্ধটির দাবি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে আলোচনায় শেখ হাসিনা এবং শরীফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের হস্তান্তরের দাবিও উত্থাপন করেছে বাংলাদেশ।

লেখক ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ ও সুখরঞ্জন বালীর ঘটনাসহ অতীতের কয়েকটি ঘটনার উল্লেখ করে বর্তমান অবস্থানের সঙ্গে তুলনা করেছেন। নিবন্ধে বলা হয়েছে, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা আইন ও আদালতের প্রসঙ্গ তুলেছেন। সাবেক কয়েকজন ভারতীয় কূটনীতিক তারেক রহমানের সফর নিয়ে মন্তব্য করেছেন বলেও লেখকের দাবি। এসব বক্তব্য নিবন্ধকারের ভারতবিষয়ক সমালোচনামূলক ব্যাখ্যার অংশ।

নিবন্ধে বিবিসির বরাতে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা ভারতে থাকলেও দুই দেশের সম্পর্ক পুনরুদ্ধার নিয়ে আলোচনা সম্ভব বলে ভারত মনে করে। লেখক বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভারতসংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। লেখাটিতে ভারত ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বিস্তৃত রাজনৈতিক অভিযোগ রয়েছে, তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া বা স্বাধীন যাচাই তুলে ধরা হয়নি।

11 Sep 26 1NOJOR.COM

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত দিতে ভারতের কথিত অনীহা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে নিবন্ধটি

নিউজ সোর্স

শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের আপত্তি কেন

লেখার শুরুতেই আমি শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনামলের কয়েকটি ঘটনার কথা উল্লেখ করতে চাই। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের সামরিক অভ্যুত্থানে জড়িত ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ ফ্যাসিবাদী শাসনামলে নিজের নিরাপত্তার জন্য গোপনে ভারতে গিয়ে অন্য নামে দেশটির নাগরিকত্ব নিয়েছিলেন।

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।