ইউরোপ, দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তরুণেরা শিক্ষা ব্যবস্থার দুরবস্থা, পরীক্ষায় অনিয়ম, বেকারত্ব, দুর্নীতি, বৈষম্য ও দুর্বল সরকারি সেবার বিরুদ্ধে রাজপথে নামছেন। ফ্রান্স, ভারত ও আলবেনিয়ার সাম্প্রতিক বিক্ষোভ এ প্রবণতাকে নতুন করে সামনে এনেছে। বাংলাদেশ, নেপাল, মরক্কো, মাদাগাস্কার, ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া ও পেরুতেও তরুণদের নেতৃত্বে আন্দোলনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
ফ্রান্সে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও ট্রেড ইউনিয়নের সদস্যরা শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ, শিক্ষক সংকট নিরসন এবং জরাজীর্ণ স্কুল ভবন সংস্কারের দাবি করছেন। ভারতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ঘিরে শুরু হওয়া আন্দোলন শিক্ষা খাতের জবাবদিহি ও নির্বাচনি স্বচ্ছতার দাবিতে বিস্তৃত হয়েছে। আলবেনিয়ায় দুর্নীতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা, উচ্চ টিউশন ফি ও সীমিত সুযোগের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়; সরকার দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সরকারি চাকরির কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শুরু হওয়া শিক্ষার্থী আন্দোলন ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে বড় রাজনৈতিক পরিবর্তন আনে। সানেম ও অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ২০২৫ সালের জরিপভিত্তিক নীতিপত্রে ৮৫ লাখের বেশি তরুণ শিক্ষা, চাকরি বা প্রশিক্ষণের বাইরে বলে উল্লেখ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিক্ষোভ সংগঠনে সহায়ক হলেও দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তন নির্ভর করে সরকার, নেতৃত্ব, জনসমর্থন ও সংস্কার পরিকল্পনার ওপর।