Web Analytics

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে বাংলাদেশের খুচরা দোকানে পৌঁছাতে একাধিক ধাপে দাম যোগ হওয়ায় কোনো কোনো নিত্যপণ্যের কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়ছে বলে প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। আমদানিকারক, বড় ও ছোট পাইকার এবং স্থানীয় ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে পণ্য খুচরা দোকানে যায়। ভারতের মসুর ডালের আন্তর্জাতিক মূল্য কেজিপ্রতি ১২৩ টাকা হলেও চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে তা ১৫৫ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা জাহাজভাড়া, বন্দর, কাস্টমস, বিমা, পরিবহন, গুদাম, প্রক্রিয়াজাতকরণ, জ্বালানি, শ্রমিক, টোল এবং দোকান পরিচালনার ব্যয়কে দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এক আমদানিকারক জানান, বন্দর থেকে পাইকার পর্যন্ত পণ্য নিতে কেজিপ্রতি প্রায় চার টাকা খরচ হয়। পাইকাররা দেশের মিলে কাঁচা ডাল ভাঙানো ও প্রক্রিয়াজাতকরণের ব্যয়ের কথাও বলেছেন।

ভোক্তা অধিকারসংশ্লিষ্টরা আন্তর্জাতিক ও খুচরা দামের বড় ব্যবধানকে অস্বাভাবিক বলছেন। তাদের মতে, খাতুনগঞ্জে পণ্য দুই থেকে তিন দফা হাতবদল হওয়ায় বারবার মুনাফা যুক্ত হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছে। বাজার বিশেষজ্ঞরা সরবরাহ শৃঙ্খল পর্যবেক্ষণ ও বাজার তদারকি জোরদারের পরামর্শ দিয়েছেন।

29 Aug 26 1NOJOR.COM

একাধিক হাতবদলে আমদানি থেকে খুচরা পর্যন্ত নিত্যপণ্যের দামে বাড়ছে বড় ব্যবধান

নিউজ সোর্স

বন্দর থেকে ভোক্তা, নিত্যপণ্যের কেজিতে বাড়ে প্রায় ৫০ টাকা

বন্দর থেকে ভোক্তার হাতে পৌঁছাতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে একাধিক ধাপে। আমদানিকারক, বড় পাইকার, ছোট পাইকার এবং স্থানীয় ট্রেডিং হয়ে পণ্য যাচ্ছে খুচরা দোকানে। প্রতিটি হাত বদলে যুক্ত হচ্ছে বাড়তি দাম। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছাতে কোনো কোনো

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।