Web Analytics

প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে যথেষ্ট আগ্রহ দেখায়নি; বরং আমদানি করা এলএনজি ও বিদ্যুতের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছে। এতে বলা হয়, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সালে তিনটি সরকারি গ্যাস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং চুক্তিভিত্তিক বিদেশি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশে ৩৯টি নতুন কূপ খনন করা হয়, যার ব্যয় ছিল প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা। বর্তমান সরকার পেট্রোবাংলার মাধ্যমে প্রথম ধাপে ১০০ কূপ খননের প্রকল্প নিয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উদ্ধৃত জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাভাবিক জ্বালানি পরিস্থিতি বজায় রাখতে গত এক দশকে ১৫০ থেকে ২০০টি কূপ খনন প্রয়োজন ছিল। এলএনজি আমদানিনির্ভরতা কমাতে পরিকল্পনাটি পরে ১৫০ কূপে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে; এতে ব্যয় ২৫ থেকে ২৬ হাজার কোটি টাকা ছাড়াতে পারে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০১৪ সালে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের পরও গভীর সমুদ্রে কার্যকর তেল-গ্যাস অনুসন্ধান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

এতে অভিযোগ করা হয়, ২০১০ সালের বিশেষ আইনের আওতায় আন্তর্জাতিক দরপত্র ছাড়াই ২০১২ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে গ্যাজপ্রমকে ২০টির বেশি কূপ খননের কাজ দেওয়া হয়। বাপেক্সের তুলনায় গ্যাজপ্রমের খরচ বেশি ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গ্যাজপ্রমের খনন করা প্রথম ১৭টি কূপের পাঁচটি চালুর কয়েক দিনের মধ্যেই পানি ও বালু ওঠায় বন্ধ হয়ে যায়।

07 Sep 26 1NOJOR.COM

প্রতিবেদনে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান উপেক্ষা ও জ্বালানি আমদানিনির্ভরতার অভিযোগ

নিউজ সোর্স

গ্যাস উত্তোলনে অনীহা ছিল আওয়ামী সরকারের

মাটির নিচে থাকা প্রাকৃতিক গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে চরম অনীহা দেখিয়েছে পলাতক শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার। দেশীয় বিশেষজ্ঞদের বসিয়ে রেখে দ্বিগুণ ব্যয়ে গ্যাসকূপ খনন করানো হয় রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রমকে দিয়ে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় তেল-গ্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।