Web Analytics

বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ২ জুন বলেন, সীমান্তে অপরাধ বা অবৈধ অনুপ্রবেশের ঘটনায় মৃত্যুকে ‘বর্ডার কিলিং’ বলা ঠিক নয়। তার মতে, যদি কেউ কোনো দেশের সীমানার ভেতরে অপরাধে জড়িত থেকে মারা যায়, সেটি সেই দেশের আইনের আওতায় পড়ে। এই বক্তব্য ২০২০ সালে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেনের মন্তব্যের পুনরাবৃত্তি, যিনি সীমান্তে ভারতের কর্মকাণ্ডের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

প্রতিবেদনটি এই অবস্থানকে ভারতের প্রতি নতজানু নীতি হিসেবে সমালোচনা করেছে। এতে বলা হয়, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই বাংলাভাষী মুসলমানদের বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বিএসএফ-বিজিবি বৈঠকের যৌথ বিবৃতিতেও ‘পুশইন’ শব্দটি বাদ দিয়ে ‘সীমান্তে সংঘটিত মৃত্যু’ বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনটি সতর্ক করেছে যে এসব ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও সীমান্ত চুক্তির পরিপন্থী এবং বাংলাদেশকে অবৈধ পুশইন প্রতিরোধে দৃঢ় অবস্থান নিতে হবে।

19 Jun 26 1NOJOR.COM

ভারতীয় পুশইন ইস্যুতে সীমান্ত হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুরনো অবস্থান পুনরাবৃত্তি

নিউজ সোর্স

ভারত-বাংলাদেশ স্বামী-স্ত্রীর যুগ ও অনিচ্ছাকৃত পুশইন | আমার দেশ

মেহেদী হাসান
প্রকাশ : ১৯ জুন ২০২৬, ১০: ২৮
ঢাকার একটি ইংরেজি দৈনিকে শেখ হাসিনা সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয় ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর । সাক্ষাৎকারে আবদুল মোমেন বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় অনেক অপরাধী আছে।... তাদের

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।