Web Analytics

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার ফলে বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, এতে বিশ্ব তেলবাজারের সংকট এখনই কাটছে না। অ্যানালিটিক্স প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ চলাকালীন প্রায় ১১৫ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ হারিয়ে গেছে, যা বাজারকে অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় ফেলেছে।

আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা জানিয়েছে, বৈশ্বিক তেলের মজুত ১৯৯০ সালের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি মজুতও ৪৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ফ্রান্সের ভার্সাইতে জি-৭ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, হরমুজ প্রণালি না খুললে চার সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মজুত শেষ হয়ে যেত। যুদ্ধের সময় ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ১২৬.৪১ ডলার থেকে কমে এখন ৮০ ডলারের নিচে নেমেছে, তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন দাম আবার বাড়তে পারে।

আইইএ-এর হিসাবে, দৈনিক অতিরিক্ত ৫০ লাখ ব্যারেল উৎপাদন করলেও হারানো সরবরাহ পুনরুদ্ধারে এক বছর লাগবে। তবে কিছু বিশ্লেষক মনে করেন, ওপেক প্লাস দ্রুত উৎপাদন বাড়ালে সংকট কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই কমে আসতে পারে।

20 Jun 26 1NOJOR.COM

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে হরমুজ প্রণালি খুললেও তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে

নিউজ সোর্স

গায়েব হলো ১১৫ কোটি ব্যারেল তেল | আমার দেশ

আমার দেশ অনলাইন
প্রকাশ : ২০ জুন ২০২৬, ০৭: ৩৮আপডেট : ২০ জুন ২০২৬, ০৭: ৪৬
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এর ফলে বন্ধ থাকা হরমুজ প্রণালি আবার উন্মুক্ত হয়েছে। এটি স্বস্তির খবর হলেও বিশ্ব বাজারের তেলের সংকট এখনই কাটছে না।
অনেক বি

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।