Web Analytics

বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দেশে কার্যরত বিদেশি কোম্পানিগুলোর প্রধান অফিস ব্যয়ের ওপর বার্ষিক সীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা করেছে। সোমবার রাজস্ব ভবনে ফরেন ইনভেস্টরস চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (ফিকি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাক বাজেট আলোচনায় এনবিআর চেয়ারম্যান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, প্রতি বছর প্রধান অফিসের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় দেখানো হয়, যা মুনাফা কম দেখানোর কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিষ্ঠার প্রথম কয়েক বছরে ব্যয় বেশি হতে পারে, তবে প্রতি বছর ব্যয় বাড়ার যৌক্তিকতা নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ফিকির কর পরামর্শক স্নেহাশীষ বড়ুয়া এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করে বলেন, দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি ও ট্রান্সফার প্রাইসিং বিধান ইতিমধ্যেই ব্যয়ের যথার্থতা নিশ্চিত করে। সীমা নির্ধারণ করলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে নেতিবাচক বার্তা যেতে পারে। ফিকি করপোরেট করহার ২৭.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব দেয়, তবে এনবিআর চেয়ারম্যান রাজস্ব ঘাটতির আশঙ্কায় তা নাকচ করেন।

ফিকির প্রেসিডেন্ট রুপালী চৌধুরী জানান, কোভিড-১৯ ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মুখে পড়েছে। তিনি বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণের আগে এনবিআরের সহায়তা প্রত্যাশা করেন।

07 Apr 26 1NOJOR.COM

প্রাক বাজেট আলোচনায় বিদেশি কোম্পানির প্রধান অফিস ব্যয়ে সীমা নির্ধারণে এনবিআরের উদ্যোগ

নিউজ সোর্স

বিদেশী প্রতিষ্ঠানের ‘প্রধান অফিস ব্যয়ের’ লাগাম টানতে চায় এনবিআর | আমার দেশ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২১: ৪৬
বাংলাদেশে যেসব বিদেশী প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছে সেসব প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মূল বা প্রধান অফিসের ব্যয় হিসাবে প্রতি বছরই বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ করে আসছে। প্রধান অফিস

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।