Web Analytics

বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকা, আশুলিয়া ও গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের চার দিনের আন্দোলনের প্রভাব চট্টগ্রামে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। চট্টগ্রামে এখনো প্রায় ৩৪০টি পোশাক কারখানার পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও শিল্প পুলিশ ছয়টি কারখানাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে নজরদারি বাড়িয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উসকানি বা বিশৃঙ্খলা ঠেকাতেও গোয়েন্দারা সতর্ক রয়েছে।

বকেয়া বেতন-ভাতা, শ্রমিক ছাঁটাই ও অন্যান্য পাওনা না মেটানোকে কেন্দ্র করে অসন্তোষের কথা জানিয়েছে শিল্প পুলিশ। ২০২৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত চট্টগ্রামে শ্রমিক অসন্তোষ ঘিরে ১৩২টি বিক্ষোভ, সড়ক অবরোধ, মানববন্ধন ও অন্যান্য কর্মসূচি হয়েছে; এর ৯৬টিই পোশাক কারখানাকেন্দ্রিক। চলতি অর্থবছরে চট্টগ্রামে ৫৯টি কারখানা বন্ধ হয়েছে, যার মধ্যে ২৯টি পোশাক কারখানা।

ঝুঁকিপূর্ণ ছয় প্রতিষ্ঠানে চার হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করেন। শিল্প পুলিশ বলছে, অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের মালিক বকেয়া বেতন পরিশোধ শুরু করেছেন এবং মালিক-শ্রমিক পক্ষের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা চলছে। বিজিএমইএ বলেছে, বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা না থাকলেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ওয়েল কোম্পানি জানিয়েছে, চলতি মাসের মধ্যে সব শ্রমিকের বকেয়া পরিশোধের চেষ্টা করা হবে।

04 Nov 26 1NOJOR.COM

অস্থিরতার আশঙ্কায় চট্টগ্রামের ছয় পোশাক কারখানায় বাড়ানো হয়েছে নজরদারি

নিউজ সোর্স

ঢাকার পর চট্টগ্রামেও পোশাক খাতে অস্থিরতার শঙ্কা

বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকা, আশুলিয়া, গাজীপুরসহ দেশের কয়েকটি শিল্পাঞ্চলে আন্দোলন করছেন পোশাকশ্রমিকেরা, যার রেশ ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামেও। ইতোমধ্যে ছয়টি কারখানাকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে নজরদারি বাড়িয়েছে শিল্প পুলিশ। কারখানা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।