Web Analytics

নাটোরের বড়াইগ্রামের মল্লিকপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম সমতল জমিতে বাণিজ্যিক আনারস চাষে প্রথম দফায় ভালো ফলন পেয়েছেন। সোমবার সরেজমিনে মল্লিকপুর বিলে তাঁর ১০ কাঠা জমির বাগানে পাকা ও আধাপাকা আনারস দেখা যায়। তিনি বাজারে আনারস বিক্রি করছেন এবং তাঁর বাগান দেখতে সাধারণ মানুষ ও কৃষি উদ্যোক্তারা আসছেন।

প্রায় তিন বছর আগে বাজারে আনারস কিনতে গিয়ে এ ফল চাষে আগ্রহী হন রফিকুল। বছর দেড়েক আগে টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে ১ হাজার ৫০০টি চারা আনেন। কিছু চারা মারা গেছে এবং কিছু গাছে ফল ধরেনি, তবে অন্তত ১ হাজার গাছে এবার আনারস ধরেছে। তাঁর বাগানে ‘ক্যালেন্ডার’ ও ‘জায়েন্ট কিউ’ জাতের আনারস রয়েছে। চারা লাগানোর প্রায় এক বছর পর ফুল আসে এবং ফল ধরার চার-পাঁচ মাস পর পাকতে শুরু করে।

এ পর্যন্ত তিনি ৫০০টি আনারস প্রতিটি ৫০ টাকা দরে বিক্রি করে ২৫ হাজার টাকা পেয়েছেন; বাগানে আরও তিন শতাধিক আনারস আছে। চারা ও পরিবহনে ৬ হাজার, নিড়ানিতে ৬ হাজার, সার-কীটনাশকে ১ হাজার ৫০০ এবং সেচে ৬০০ টাকা খরচ হয়েছে। রাতে শতাধিক পাকা আনারস চুরি হয়েছে বলেও তিনি জানান। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজীব আল মারুফ বলেন, এলাকার মাটি ও আবহাওয়া আনারস চাষের উপযোগী মনে হচ্ছে এবং কৃষি বিভাগ সহযোগিতা করবে।

16 Sep 26 1NOJOR.COM

বড়াইগ্রামে আনারস চাষ করে ২৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন কৃষক রফিকুল

নিউজ সোর্স

বড়াইগ্রামে আনারস চাষে ভালো ফলন, কাঙ্ক্ষিত দামে খুশি চাষি

সমতল ভূমিতে বাণিজ্যিকভাবে পাহাড়ি ফল আনারস চাষে দারুণ সফলতা পেয়েছেন নাটোরের বড়াইগ্রামের মল্লিকপুর গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি বাগানের পাকা আনারস বাজারে বিক্রি করছেন। মাঝারি আকারের আনারসগুলো দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও তেমন মিষ্টি। তার সফলতা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।