Web Analytics

বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন নিয়ে ঢাকায় এক সেমিনারে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি চুক্তি পুনঃআলোচনার এবং চুক্তিতে ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ পুনর্বহালের দাবি ওঠে। মঙ্গলবার ধানমন্ডির বিলিয়া অডিটোরিয়ামে ‘গঙ্গা পানি চুক্তি: পুনঃআলোচনার বিষয়াবলী’ শীর্ষক এ সেমিনার হয়। পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহিদুদ্দিন চৌধুরী জানান, সরকার আগামী বছরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের পরিকল্পনা কার্যকর ও দৃশ্যমান করতে চায়।

মূল প্রবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেন, ১৯৯৬ সালের চুক্তিতে ন্যূনতম পানিপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা না থাকায় বাংলাদেশের হিস্যা প্রায় ৬ দশমিক ৫২ শতাংশ কমেছে। তাঁর মতে, ২০০৮ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে ২৭টি সংকটকালীন সময়ের ১৫ বার বাংলাদেশ ন্যূনতম পানিপ্রবাহ পায়নি। তিনি তথ্য অধিকার, গ্যারান্টি ক্লজ পুনরুদ্ধার, বাংলাদেশ-ভারত-নেপালের বহুপাক্ষিক অববাহিকা ব্যবস্থাপনা এবং যৌথ নদী কমিশন কার্যকর করার সুপারিশ করেন।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজের সঙ্গে ২৪ থেকে ২৬টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষের স্বার্থ জড়িত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রধানমন্ত্রী আগামী মাসে জাতিসংঘে পানি চুক্তি বিষয়ে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরবেন। প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ ৫৪টি নদীর নাব্যতাহীনতার কথা তুলে ধরে পানি সুরক্ষায় সচেতনতার আহ্বান জানান।

20 Aug 26 1NOJOR.COM

ঢাকা সেমিনারে গঙ্গা চুক্তি পুনঃআলোচনা ও গ্যারান্টি ক্লজ ফেরানোর দাবি

নিউজ সোর্স

গঙ্গা পানি চুক্তির সংস্কার ও গ্যারান্টি ক্লজ ফেরানোর দাবি | আমার দেশ

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৬: ৪২
বাংলাদেশ-ভারত অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন ও সমসাময়িক প্রেক্ষাপট নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি চুক্তির কাঠামোগত দুর্বলতা তুলে ধরে তা পুনঃআলোচনার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি চুক্তিতে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।