Web Analytics

বাংলাদেশে বহুল প্রতীক্ষিত মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিল হওয়ায় তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের মূল অংশগুলো না রাখার সরকারি সিদ্ধান্তে কমিশন কার্যকারিতা হারাবে। ২০২৫ সালের নভেম্বরে জারি করা এই অধ্যাদেশে কমিশনের ক্ষমতা বৃদ্ধি ও পুনর্গঠন করা হয়েছিল, যেখানে বিচারপতি মইনুল হোসেনকে চেয়ারম্যান করা হয়। কিন্তু সংসদের প্রথম অধিবেশনের ৩০ দিনের মধ্যে বিল আকারে উত্থাপন না করায় সংবিধান অনুযায়ী এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে গেছে।

কমিশনের কর্মকর্তা ও ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, সরকার গুম ও ক্রসফায়ারে জড়িত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের দায়মুক্তি দিতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আইনের সংঘর্ষ এড়াতে যাচাই-বাছাই প্রয়োজন। তবে কমিশনের সদস্য ও ভুক্তভোগীদের পরিবার অভিযোগ করেছেন, এতে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার বাধাগ্রস্ত হবে।

কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী এই সিদ্ধান্তকে দুর্ভাগ্যজনক ও নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেন। ওয়াশিংটনভিত্তিক রাইট টু ফ্রিডম ও টিআইপি-সহ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা সরকারের এই উদ্যোগে উদ্বেগ জানিয়েছে।

18 Apr 26 1NOJOR.COM

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলে সরকারের সিদ্ধান্তে তীব্র প্রতিক্রিয়া

নিউজ সোর্স

মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ বাতিলে হতাশা, ক্ষোভ | আমার দেশ

সাইদুর রহমান রুমী
প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮: ৩৫আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ৩৩
বহুল প্রতীক্ষিত ‘মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ’ বাতিল হওয়ায় তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের প্রধান অংশগুলো না রাখার বিষয়ে সরকারি দলের

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।