Web Analytics

চট্টগ্রামের বাঁশখালীর ছনুয়া ইউনিয়নের খুদুকখালীতে উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরি ২০১০ সালে ২০টি বই নিয়ে যাত্রা শুরু করে এখন প্রায় ৯ হাজার বইয়ের গণপাঠাগারে পরিণত হয়েছে। বাঁশখালী উপজেলা সদর থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরের এই পাঠাগার চারটি ইউনিয়নের শিক্ষার্থী ও তরুণ-তরুণীদের বিনা মূল্যে বই পড়ার সুযোগ দিচ্ছে। পাঠাগারের নামে কেনা ২২ শতক জমিতে নিজস্ব ভবনে এর পাঠ কার্যক্রম চলছে। প্রতিষ্ঠাতা সাঈফী আনোয়ারুল আজীম অনুন্নত যোগাযোগ ও দারিদ্র্যপীড়িত এলাকায় বইয়ের আলো ছড়ানোর লক্ষ্যেই উদ্যোগটি গড়ে তোলেন।

পাঠাগারে দর্শন, ইতিহাস, ধর্ম, মনোবিজ্ঞান, সাহিত্য, মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা, গবেষণা, অর্থনীতি ও অনুবাদ সাহিত্যসহ নানা বিষয়ের বই রয়েছে। পাঠকরা বই ১৫ দিনের জন্য বাড়িতেও নিতে পারেন। নিবন্ধিত পাঠক ১৫০ জনের বেশি, যাদের ৯৫ শতাংশ নারী; প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ জন নারী পাঠক আসেন। কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে নারীদের বই পড়ার ভয় কাটাতে কাজ করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনজন নারী এখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেয়েছেন।

২০২৫ সালে জাতীয় বিজ্ঞান প্রযুক্তি জাদুঘর থেকে নিবন্ধন পাওয়া উপকূলীয় বিজ্ঞান ক্লাবেও বিজ্ঞানবিষয়ক বই, পরীক্ষার উপকরণ ও টেলিস্কোপ রয়েছে। ২০১৪ সালের টর্নেডো, ২০১৬ সালের রোয়ানু, ২০২৩ সালের হামুন এবং ২০২৬ সালের বন্যায় পাঠাগার ক্ষতিগ্রস্ত ও বই নষ্ট হলেও কার্যক্রম চলেছে। কর্তৃপক্ষ দুর্লভ বই রক্ষায় একটি টেকসই স্থায়ী ভবনের প্রয়োজনের কথা জানিয়েছে। পাঠাগারটি বিকেল ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

15 Aug 26 1NOJOR.COM

২০ বই থেকে ৯ হাজার বইয়ে পৌঁছে উপকূলীয় অঞ্চলে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে পাঠাগারটি

নিউজ সোর্স

বাঁশখালীতে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরি | আমার দেশ

মুহিব্বুল্লাহ ছানুবী, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১১: ৪৬আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০২৬, ১২: ০৩
মাত্র ২০টি বই দিয়ে শুরু, এখন ৯ হাজার বইয়ের সমাহার। পশ্চিম বাঁশখালীতে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে উপকূলীয় পাবলিক লাইব্রেরি।
২০১০ সালে পাঠাগারটির যাত্রা শুরু

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।