Web Analytics

বাংলাদেশে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে বাসাবাড়ির রান্না, শিল্প উৎপাদন, সিএনজি স্টেশন এবং দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে। গত কয়েকদিনে ৪,০০০ মিলিয়ন ঘনফুট চাহিদার বিপরীতে গ্যাস সরবরাহ হয়েছে ২,৩০০ থেকে ২,৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। অন্যদিকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল ১৪ হাজার থেকে ১৪ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। এতে সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি, আবাসিক এলাকায় কম গ্যাসের চাপ এবং ঘন ঘন লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।

ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন, কোনো কোনো এলাকায় তিনদিনেও একবার গ্যাস পাওয়া যায় না। অনেক পরিবার বেশি খরচে বৈদ্যুতিক চুলা বা সিলিন্ডার গ্যাস ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে, তবে বিদ্যুতের অনিশ্চয়তা তাদের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে। কম চাপের কারণে ডাইং কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। মফস্বলের কিছু এলাকায় দিনে গড়ে চার থেকে ছয় ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ছোট ব্যবসায়ী ও কারিগরদের কাজ ও আয়ও কমেছে।

সরকার দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানিনির্ভরতা কমানোর উদ্যোগের কথা জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫০ কূপ খনন কর্মসূচির আওতায় ৩০টি কূপ সম্পন্ন হয়ে জাতীয় গ্রিডে ১৪০ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হয়েছে। বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতির আশ্বাস দিয়েছেন।

05 Sep 26 1NOJOR.COM

গ্যাস ও বিদ্যুৎ ঘাটতিতে ঘর, কারখানা, সিএনজি স্টেশন ও ছোট ব্যবসা ব্যাহত

নিউজ সোর্স

গ্যাস সংকটে চুলা জ্বলছে না, বিদ্যুতের জন্য হাহাকার

গ্যাস সংকটে সিএনজি স্টেশনগুলোয় গ্রাহকদের সারি ক্রমেই দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। বাসাবাড়িতে রান্নার চুলা জ্বলছে না দিনের অধিকাংশ সময়। গ্যাসের প্রয়োজনীয় চাপ না থাকায় শিল্পকারখানার চাকা ঘুরছে না। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন থেকে হাঁসফাঁস করছেন ভুক্তভোগীরা

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।