Web Analytics

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল বল ‘TRIONDA’ ফুটবলের প্রচলিত ধারণাকে বদলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর ঐক্যের প্রতীক হিসেবে নামকরণ করা এই বলের ভেতরে রয়েছে সেন্সর, মাইক্রোপ্রসেসর ও ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেম। বলের কেন্দ্রে থাকা ইনর্শিয়াল মেজারমেন্ট ইউনিট (IMU) সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার বলের অবস্থান, গতি, দিক ও স্পর্শের তথ্য সংগ্রহ করে, যা মাঠের প্রতিটি মুহূর্তের সঠিক তথ্য সরবরাহ করে।

এই স্মার্ট বল স্টেডিয়ামের উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ক্যামেরা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে অফসাইড, হ্যান্ডবলসহ বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কয়েক সেকেন্ডে বিশ্লেষণ করতে পারে। ‘কানেক্টেড বল টেকনোলজি’ VAR সিস্টেমে সরাসরি তথ্য পাঠিয়ে সিদ্ধান্তের সময় ২০–২৫ সেকেন্ডে নামিয়ে এনেছে। এতে খেলার গতি ও দর্শকদের অভিজ্ঞতা উভয়ই উন্নত হয়েছে।

সম্প্রচারকারীরা এখন বলের গতি, স্পিন ও শটের শক্তির তথ্য গ্রাফিক আকারে দেখাতে পারছে। যদিও কেউ কেউ মনে করেন প্রযুক্তি ফুটবলের মানবিক আবেগ কমিয়ে দিচ্ছে, অন্যরা একে খেলার ন্যায্যতা ও নির্ভুলতার নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন।

22 Jun 26 1NOJOR.COM

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা চালিত TRIONDA বল ২০২৬ বিশ্বকাপে ফুটবলে প্রযুক্তির নতুন সংজ্ঞা দিচ্ছে

নিউজ সোর্স

বিশ্বকাপের বলের ভেতর বিস্ময়কর প্রযুক্তি | আমার দেশ

আরিফ বিন নজরুল
প্রকাশ : ২২ জুন ২০২৬, ১২: ৫৩
ফুটবলের ইতিহাসে বল সবসময়ই ছিল খেলার প্রাণ। কখনো চামড়ার তৈরি ভারী বল। কখনো হালকা সিনথেটিক বল। সময়ের সঙ্গে এর নকশা ও উপাদান বদলেছে। কিন্তু ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের বল সেই প্রচলিত ধারণাকেই পাল্টে দিয়েছে। এই

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।