Web Analytics

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নিবন্ধনহীন সাব-এজেন্টদের নীতিমালার আওতায় এনে জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, প্রতিনিধিদের পরিচয় যাচাইয়ের নির্ভরযোগ্য সরকারি ব্যবস্থা না থাকায় কর্মীরা প্রতারণার ঝুঁকিতে রয়েছেন। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে উইটনেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘অভিবাসন সংলাপ ০১’-এ এসব বিষয় উঠে আসে। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর রিক্রুটিং এজেন্সির কাজ মূল্যায়নের ভিত্তিতে গ্রেডিং ব্যবস্থা চালুর প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।

বক্তারা বলেন, সাব-এজেন্টদের নিবন্ধন ও তদারকি দুর্বল এবং তাদের তথ্য জমা দেওয়ার সফটওয়্যার এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। তারা এজেন্সিগুলোর প্রতিনিধিদের তালিকা সংগ্রহ করে মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশের প্রস্তাব দেন, যাতে কর্মীরা অর্থ দেওয়ার আগে পরিচয় যাচাই করতে পারেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে এজেন্সিগুলোকে প্রতিনিধিদের তালিকা জমা দিতে হবে এবং তা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

উইটনেস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ সিদ্দিকী বলেন, একজন অভিবাসী কর্মীর নিয়োগ ব্যয় তুলতে গড়ে প্রায় ১৫ মাস লাগে। সংলাপে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ১ হাজার ৪১৪টি অভিযোগের মধ্যে ৭৮৫টির নিষ্পত্তি হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীরা ৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ফেরত পেয়েছেন। জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত বিদেশে কর্মী পাঠানোর ৭৩ শতাংশ ছিল সৌদি আরবকেন্দ্রিক, যা একক শ্রমবাজারনির্ভরতার ঝুঁকি তুলে ধরে।

29 Oct 26 1NOJOR.COM

অভিবাসী কর্মীদের প্রতারণা কমাতে সাব-এজেন্ট তদারকি ও এজেন্সি গ্রেডিংয়ের দাবি

নিউজ সোর্স

সাব-এজেন্টদের জবাবদিহি ও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর গ্রেডিং প্রয়োজন

বিদেশে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে নিবন্ধনহীন সাব-এজেন্টদের মাধ্যমে প্রতারণার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। অথচ কর্মীদের জন্য এসব সাব-এজেন্টের পরিচয় যাচাইয়ের নির্ভরযোগ্য সরকারি তথ্যব্যবস্থা নেই। সাব-এজেন্টদের তথ্য জমা দেওয়ার সফটওয়্যার ব্যবস্থাও এখনো পুরোপুরি কার্যকর

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।