Web Analytics

রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলাটি আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। আদালত মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালিয়েছে কি না, সে বিষয়ে রায় দেবেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার প্রেক্ষাপটে কয়েক মাসে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নেন।

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার সমর্থনে গাম্বিয়া ২০১৯ সালের নভেম্বরে মামলা করে। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে আইসিজে সর্বসম্মতভাবে মিয়ানমারকে গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। গাম্বিয়ার দাবি, হত্যা, যৌন সহিংসতা, শিশুদের ওপর হামলা, গ্রাম পোড়ানো এবং পালিয়ে যাওয়া বেসামরিকদের ওপর হামলা একটি জনগোষ্ঠী ধ্বংসের অভিপ্রায় দেখায়। মিয়ানমার অভিযোগ অস্বীকার করে এসবকে আরসার হামলার জবাবে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান বলেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রায়টি সশস্ত্র সংঘাতে গণহত্যার বিশেষ অভিপ্রায় প্রমাণের মানদণ্ড স্পষ্ট করতে পারে এবং গাজায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার মামলাতেও প্রভাব ফেলতে পারে। রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা নাগরিকত্ব, পরিচয়ের স্বীকৃতি, নিরাপত্তা ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনকে ন্যায়বিচারের অংশ হিসেবে দেখেন। আইসিজের রায় বাধ্যতামূলক হলেও তা বাস্তবায়নে আদালতের নিজস্ব ব্যবস্থা নেই।

17 Oct 26 1NOJOR.COM

রোহিঙ্গা মামলার রায় গণহত্যা আইনের ব্যাখ্যা ও গাজা মামলায় প্রভাব ফেলতে পারে

নিউজ সোর্স

আইসিজেতে রোহিঙ্গা মামলা: গণহত্যার নতুন দৃষ্টান্তের অপেক্ষা

রোহিঙ্গাদের ওপর গণহত্যার অভিযোগে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়ার করা মামলার রায় আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ নজির তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ রায়ের প্রভাব পড়তে পারে গাজায় ইসরাইলের বিরুদ্ধে দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলাতেও।
২০১৭ সালের সেপ্

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।