Web Analytics

বরিশালের নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস দেশীয় ফল, শাকসবজি, গাছের ছাল ও ফুলের নির্যাস ব্যবহার করে প্রাকৃতিক খাদ্যরং তৈরি করেছেন। কেমিক্যালভিত্তিক কৃত্রিম খাদ্যরঙের বিকল্প হিসেবে এই উদ্যোগ প্রশংসা পেয়েছে। তাঁর তৈরি রং দিয়ে পিঠা, লাড্ডু, কেক ও ক্যান্ডিসহ বিভিন্ন খাদ্যপণ্যও উৎপাদন করা হয়েছে। উদ্যোগটি বাস্তবায়নে বরিশাল বিভাগীয় কৃষি বিপণন অধিদপ্তর সহায়তা দিয়েছে এবং কর্মকর্তারা বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদের সঙ্গে এ বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস নারী উদ্যোক্তা উন্নয়ন সংস্থার বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি। তিনি ২০০৬ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ নিয়ে ব্লক-বাটিকের কাজ শুরু করেন এবং ২০২৪ সালে গাজীপুরের বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রশিক্ষণ নেন। ২০২৫ সালে তিনি নারীদের জন্য একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র চালু করেন এবং কাউনিয়া এলাকায় ‘জে টেস্টি নেস্ট’ প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে ড্রাগন ফল, অপরাজিতা, গাজর, জবা, বিটরুট ও বিভিন্ন শাক থেকে রং তৈরি হচ্ছে।

বর্তমানে তাঁর উদ্ভাবিত প্রাকৃতিক রঙের সংরক্ষণকাল সর্বোচ্চ ১০ দিন; এরপর গুণগত মান নষ্ট হয়। সংরক্ষণকাল বাড়াতে গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রয়োজন বলে তিনি জানান। বিভাগীয় কমিশনার প্রশাসনিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, দেশীয় উপাদানের প্রাকৃতিক রং ব্যবহার নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সহায়ক হতে পারে এবং আমদানি করা কৃত্রিম রঙের ব্যয় কমাতে পারে।

29 Aug 26 1NOJOR.COM

দেশীয় উপাদান থেকে প্রাকৃতিক খাদ্যরং তৈরি করেছেন বরিশালের উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস

নিউজ সোর্স

প্রাকৃতিক খাদ্য থেকে রং তৈরিতে সফল বরিশালের নারী উদ্যোক্তা

বরিশালে প্রথমবারের মতো দেশীয় ফল, শাকসবজি, গাছের ছাল ও ফুলের নির্যাস ব্যবহার করে প্রাকৃতিক খাদ্য রং (ন্যাচারাল ফুড কালার) উদ্ভাবন করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন নারী উদ্যোক্তা জান্নাতুল ফেরদৌস। কৃত্রিম কেমিক্যালভিত্তিক খাদ্য রঙের বিকল্প হিসেবে তার এ উদ্যোগ ইতো

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।