Web Analytics

গত সাড়ে চার দশকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনৈতিক সহিংসতায় ৩৭ শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারজন শিক্ষক ও ৩৩ জন শিক্ষার্থী। ১৯৮২ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত সংঘটিত এসব হত্যাকাণ্ডের বেশিরভাগের বিচার হয়নি। রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক উদাসীনতা ও তদন্তের ঘাটতির কারণে অনেক আসামি শাস্তি এড়াতে সক্ষম হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডগুলো মূলত ক্যাম্পাস দখল, হল নিয়ন্ত্রণ, চাঁদাবাজি ও জাতীয় আন্দোলনের সময় সংঘটিত হয়েছে। ১৯৮২ সালে ছাত্রশিবির ও বামপন্থী ছাত্রসংগঠনগুলোর সংঘর্ষে প্রথম হত্যাকাণ্ড ঘটে। পরবর্তী সময়ে ছাত্রশিবির, ছাত্রলীগ, ছাত্রদল ও অন্যান্য সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষে বহু শিক্ষার্থী নিহত হন। অধ্যাপক তাহের, ইউনুস, শফিউল ইসলাম লিলন ও রেজাউল করিম সিদ্দিকীর হত্যাকাণ্ডও বিশ্ববিদ্যালয়কে নাড়িয়ে দেয়।

পুলিশ জানিয়েছে, সাক্ষীর অভাব ও বাদী পক্ষের তদারকির ঘাটতি মামলাগুলোর অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করেছে। ছাত্রনেতারা রাজনৈতিক হস্তক্ষেপকে দায়ী করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর জানিয়েছেন, ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ নয়, তবে জুলাই বিপ্লবের পর শুরু হওয়া নতুন ধারার রাজনীতি বজায় থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

10 May 26 1NOJOR.COM

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চার দশকে রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত ৩৭ জন

নিউজ সোর্স

সাড়ে চার দশকে হত্যাকাণ্ডের শিকার ৩৭ শিক্ষক-শিক্ষার্থী | আমার দেশ

ফাহমিদুর রহমান ফাহিম, রাবি
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১২: ২৭আপডেট : ১০ মে ২০২৬, ১২: ৩৯
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে গত সাড়ে চার দশকে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ৩৭ শিক্ষক-শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে রয়েছেন চার শিক্ষক ও ৩৩ শিক্ষার্থী। ১৯৮২ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।