Web Analytics

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচনের মধ্যে অন্যতম, যেখানে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল ও স্বার্থগোষ্ঠী প্রচারে বিপুল অর্থ ব্যয় করে। অ্যাডইমপ্যাক্টের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রাজনৈতিক ব্যয় প্রায় ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছে নতুন রেকর্ড গড়তে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, টেলিভিশন বিজ্ঞাপন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ডিজিটাল প্রচার, জনমত জরিপ এবং মাঠপর্যায়ের প্রচারণায় বড় অঙ্কের ব্যয়ের সুযোগই নির্বাচনী খরচ বাড়ার প্রধান কারণ। ব্যবসায়ী, ধনী ব্যক্তি, রাজনৈতিক সংগঠন ও স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোও অর্থ ঢালে। আনুষ্ঠানিক প্রার্থী প্রচারণার বাইরের সংগঠনগুলো তুলনামূলক কম নিয়ন্ত্রণে পছন্দের প্রার্থী বা রাজনৈতিক অবস্থানের পক্ষে প্রচার চালাতে পারে।

২০১০ সালের সুপ্রিম কোর্টের সিটিজেনস ইউনাইটেড রায়ের পর করপোরেশন ও সংগঠনের স্বাধীন রাজনৈতিক ব্যয়ের সুযোগ বাড়ে। ২০২৬ সালের পূর্বাভাস ২০২২ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রায় ৮ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন চক্রের ১১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের ব্যয়কেও ছাড়াতে পারে। সমালোচকদের আশঙ্কা, বড় অর্থদাতারা নীতিনির্ধারণে প্রভাব বিস্তারের বেশি সুযোগ পেতে পারেন।

25 Aug 26 1NOJOR.COM

২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ব্যয় প্রায় ১১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে

নিউজ সোর্স

সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রে, রাজনৈতিক অর্থের দাপট কেন

যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচনগুলোর একটি। প্রতি নির্বাচনি মৌসুমে প্রার্থী, রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন স্বার্থগোষ্ঠী প্রচারে বিপুল অর্থ ব্যয় করে। ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনও ব্যয়ের নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন পূর্বাভাসে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।