Web Analytics

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট ২০২৫’ অনুযায়ী, উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে ব্যাংক খাতের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪১৯ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হিসেবে দেখানো যাচ্ছে না। ১ হাজার ৩৭৯ জন ঋণগ্রহীতার দায়ের করা ৮৪৫টি রিটের ফলে এসব ঋণ নিয়মিত হিসাবে প্রদর্শিত হচ্ছে। এতে ঋণগ্রহীতারা নতুন ঋণ ও পুনঃতফসিল সুবিধা পাচ্ছেন। ২০২৫ সালে স্থগিতাদেশে আটকে থাকা ঋণের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৮০ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আদালতের এ স্থগিতাদেশের কারণে ব্যাংক খাতে প্রকৃত খেলাপি ঋণের চিত্র আড়ালে থেকে যাচ্ছে এবং তারল্য সংকট বাড়ছে। কিছু ঋণগ্রহীতা এই সুযোগে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর এ ধরনের স্থগিতাদেশকে আর্থিক খাতের জন্য ক্ষতিকর বলে মন্তব্য করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোকে আইনি টিম শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে, যাতে দ্রুত মামলাগুলো নিষ্পত্তি করা যায়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মামলা-আটকে থাকা ঋণসহ মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৭১ হাজার ১২৩ কোটি টাকা, আর গত বছর ব্যাংক খাত সম্মিলিতভাবে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৬৬ কোটি টাকার লোকসানে পড়েছে।

21 Jun 26 1NOJOR.COM

উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশে ব্যাংক খাতে ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকার খেলাপি ঋণ আটকে আছে

নিউজ সোর্স

খেলাপি দেখানো যাচ্ছে না ১ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা | আমার দেশ

রোহান রাজিব
প্রকাশ : ২১ জুন ২০২৬, ০৮: ৩২আপডেট : ২১ জুন ২০২৬, ১১: ৪৩
উচ্চ আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে ব্যাংক খাতের এক লাখ ৮২ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি হিসাবে দেখানো যাচ্ছে না। বিভিন্ন ব্যাংকের এক হাজার ৩৭৯ জন ঋণগ্রহীতার দায়ের করা ৮৪৫টি রিটের কারণে

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।