Web Analytics

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের পালগ্রাম-মুকুন্দপুর সড়কে ফানাই নদীর ওপরের পাকা সেতু বন্যার স্রোতে ভেঙে তলিয়ে যাওয়ার পর প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষ নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোর ওপর নির্ভর করছেন। এতে তিন ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ এবং শত শত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাগামী শিক্ষার্থী দুর্ভোগে পড়েছেন। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয় ২২ আগস্ট ২০২৬।

স্থানীয়রা জানান, ১০ বছর আগে নির্মিত সেতুটি পাঁচ বছর আগে বন্যার পানির তোড়ে ভেঙে ভেসে যায়। পরে গ্রামবাসীর অর্থায়নে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়। তবে বর্ষায় আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে সাঁকোটিও পানিতে ডুবে যায়। শিক্ষার্থীরা এই পথ দিয়ে লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজ, মাস্টার শরাফত আলী উচ্চ বিদ্যালয়, চৌধুরী বাজার আলিম মাদরাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করে।

সড়কটিতে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় অ্যাম্বুলেন্স, বিয়ের গাড়ি এবং ধান-চাল, গরু, মহিষ ও শাকসবজি পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে। মানুষকে এখন অনেক দূরের পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হতে গিয়ে অনেকের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার আগ্রহ কমছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা আক্তার বলেন, তিনি নতুন যোগ দিয়েছেন; খোঁজ নিয়ে দ্রুত সেতু নির্মাণের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

22 Aug 26 1NOJOR.COM

ফানাই নদীর ভাঙা সেতুর বদলে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোয় নির্ভর ৩০ গ্রামের মানুষ

নিউজ সোর্স

কুলাউড়ার ৩০ গ্রামের বাসিন্দাদের ভরসা সাঁকো | আমার দেশ

চৌধুরী আবু সাঈদ ফুয়াদ, কুলাউড়া ( মৌলভীবাজার)
প্রকাশ : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ০৮আপডেট : ২২ আগস্ট ২০২৬, ০৯: ১০
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের পালগ্রাম-মুকুন্দপুর সড়কের ফানাই নদীর ওপর পাকার সেতুটি বন্যার পানির স্রোতে ভেঙে তলিয়ে যাওয়ায

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।