Web Analytics

দেশীয় বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির সহায়তায় স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগোচ্ছিল বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন শিল্প। কিন্তু সাম্প্রতিক শুল্কনীতি ও নীতিগত অসামঞ্জস্যের কারণে এই সম্ভাবনাময় খাত এখন গভীর সংকটে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দেশে উৎপাদিত যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক ছাড় থাকলেও কাঁচামাল আমদানিতে উচ্চ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, ফলে স্থানীয় উৎপাদনের চেয়ে বিদেশ থেকে পণ্য আনা বেশি লাভজনক হয়ে উঠেছে। এতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রাও ব্যাহত হতে পারে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালে দেশের ইলেকট্রনিকস ও আইসিটি বাজারের আকার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলার, যা প্রতি বছর গড়ে ১৫ শতাংশ হারে বাড়ছে। কিন্তু এনবিআরের সংশোধিত প্রজ্ঞাপন (এসআরও নং-২৭৪) স্থানীয় শিল্পের জন্য বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত যন্ত্রাংশের আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করা হলেও কাঁচামালে ১৫ থেকে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এই বৈষম্য অব্যাহত থাকলে ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্প বন্ধ হয়ে যাবে এবং লাখো মানুষের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়বে।

তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, দেশীয় উৎপাদিত যন্ত্রাংশে পুনরায় নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক আরোপ, কাঁচামালে শুল্ক হ্রাস এবং সরকারি ক্রয়ে দেশীয় ব্র্যান্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়ার মাধ্যমে শিল্পের টেকসই বিকাশ নিশ্চিত করতে।

03 Apr 26 1NOJOR.COM

শুল্ক বৈষম্যে সংকটে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস শিল্প, বাড়ছে আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকি

নিউজ সোর্স

নীতিগত জটিলতায় ইলেকট্রনিকস শিল্পে বাড়ছে আমদানিনির্ভরতা | আমার দেশ

সোহেল রহমান
প্রকাশ : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ১২আপডেট : ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০: ২৬
আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে দেশীয় উদ্যোক্তাদের সাহসী বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির স্পর্শে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে হাঁটছিল বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন শিল্প। তবে সাম্প্রতিক কিছ

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।