Web Analytics

দীর্ঘদিন নানা অসুস্থতায় ভোগার পর গত ১০ অক্টোবর সাংবাদিক আমীর খসরু মারা যান। লেখাটিতে তাঁকে নির্ভীক, সমাজসচেতন ও পেশার প্রতি বিশ্বস্ত একজন রিপোর্টার হিসেবে স্মরণ করা হয়েছে। আশির দশক থেকে তিনি সংবাদ, ইত্তেফাক, ভয়েস অব আমেরিকা, সাপ্তাহিক বিচিত্রা, হলিডে ও যায়যায়দিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে লিখেছেন। তাঁর মৃত্যুতে রাষ্ট্র বা সমাজের পক্ষ থেকে খোঁজ না নেওয়ার কথাও লেখক উল্লেখ করেছেন।

লেখকের ভাষ্যে, অভাবের মধ্যেও খসরু নির্লোভ ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিক ছিলেন। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক রিপোর্টিংয়ে তিনি দক্ষ ছিলেন এবং মন্ত্রীদের সংবাদ সম্মেলনে তাঁর প্রশ্ন ছিল তীক্ষ্ণ। সরকারি ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন করতে করতে তিনি কখনো বলতেন, ‘ইয়ার্কি নাকি?’ বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ভারতবিষয়ক মূল্যায়নে আস্থা রাখতেন বলেও লেখাটিতে বলা হয়েছে। তিনি ওভারসিজ করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

লেখাটিতে বলা হয়েছে, ফ্যাসিবাদী আমলে খসরু নিপীড়নের শিকার হন এবং ১৫ বছর সচিবালয়ে প্রবেশের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড পাননি। ভয়েস অব আমেরিকায় কাজ করেও তিনি মার্কিন নীতির সমালোচনা করতেন। সাম্প্রতিক লেখায় তিনি জুলাই বিপ্লবকে সমর্থন করেছিলেন। অসুস্থতা, শোক ও অভিমান তাঁর জনসমাজ ও মিডিয়া সমাজ থেকে সরে যাওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছিল কি না, সে প্রশ্নও লেখক তুলেছেন।

16 Oct 26 1NOJOR.COM

নির্ভীক রিপোর্টিং, তীক্ষ্ণ প্রশ্ন ও সমাজবোধের জন্য আমীর খসরুকে স্মরণ

নিউজ সোর্স

আমীর খসরুর প্রশ্নÑ ইয়ার্কি নাকি

ভাগ্যসৈনিক হিসেবে সদরঘাটে লঞ্চ থেকে অথবা মফস্বল থেকে বাসে গুলিস্তানে নেমে মুরব্বির তদবিরে সাংবাদিক বনে যাওয়া সাংবাদিক আমীর খসরু নন। শিক্ষিত, সমাজ বদলের লক্ষ্যাভিসারী, মার্জিত, বুকচাপা আগুনে ভেতরে ভেতরে অস্থির, দৈহিক গড়নে ছোটখাটো একটা মানুষের নাম আমীর

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।