Web Analytics

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ইতিহাসে চট্টগ্রাম একটি অনন্য অধ্যায়, যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক আদেশ অমান্য করে মেজর জিয়া বিদ্রোহ ঘোষণা করেন এবং পরে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন। মুক্তিযুদ্ধে তার নেতৃত্ব ও বীরত্ব বাংলাদেশের ইতিহাসে অমর হয়ে আছে। চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর তার জীবন, সংগ্রাম ও অবদানের নিদর্শন সংরক্ষণ করছে।

১৯১৩ সালে নির্মিত ব্রিটিশ আমলের সার্কিট হাউসকে ১৯৯৩ সালে জিয়া স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়। এখানে ১২টি গ্যালারি, ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী ও মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সরকারি অবহেলায় জাদুঘর কিছুটা জরাজীর্ণ হলেও এটি এখনো ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসেই ব্যর্থ অভ্যুত্থানে রাষ্ট্রপতি জিয়া নিহত হন। প্রথমে রাঙ্গুনিয়ায় তার দাফন সম্পন্ন হয়, পরে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

ষোলশহরের ‘উই রিভোল্ট’ ঘোষণা থেকে কালুরঘাটের স্বাধীনতার প্রচার—সবকিছুই চট্টগ্রামকে জিয়াউর রহমানের সাহস, নেতৃত্ব ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

26 Mar 26 1NOJOR.COM

চট্টগ্রামে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার আহ্বান ও তার ঐতিহাসিক উত্তরাধিকার

নিউজ সোর্স

চট্টগ্রামের মাটিতে জিয়ার স্বাধীনতার প্রথম আহ্বান | আমার দেশ

জাহিদুল করিম কচি, চট্টগ্রাম
প্রকাশ : ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৯: ৫০
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে অনন্য এক অধ্যায় চট্টগ্রাম। এর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম। এ শহরের মাটি শুধু রক্তে রঞ্জিত হয়নি, এখান থেকেই স্বাধী

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।