Web Analytics

বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন মানুষের প্রধান তথ্যের উৎসে পরিণত হয়েছে, যা ভুল তথ্যের বিস্তারকে আরও ত্বরান্বিত করেছে। তথ্য যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানারের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০২৫ সালে তারা রেকর্ড ৪ হাজার ১৯৫টি ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি। ২০২৬ সালে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জনআলোচনাকে ঘিরে গুজবের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।

প্রতিবেদনটি জানায়, এখন শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নয়, সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও যাচাইবিহীন তথ্য প্রকাশের প্রবণতা বাড়ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট এতটাই নিখুঁত যে সত্য-মিথ্যা আলাদা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই উৎস যাচাই, শিরোনামের বাইরে পড়া, ছবি ও ভিডিও যাচাই, একাধিক উৎস মিলিয়ে দেখা এবং আবেগনির্ভর তথ্যের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে সক্রিয় তথ্য যাচাইকারী প্ল্যাটফর্মগুলোকে সন্দেহজনক তথ্য যাচাই ও ভুয়া খবরের বিস্তার রোধে কার্যকর উপায় হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

02 Mar 26 1NOJOR.COM

বাংলাদেশে এআই-নির্ভর ভুয়া তথ্য বৃদ্ধি, যাচাই ও সচেতনতার আহ্বান

নিউজ সোর্স

এআই যুগে সত্য-মিথ্যা তথ্য শনাক্তের উপায় | আমার দেশ

সানোয়ার হোসেন
প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৬, ১৩: ২১
বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন মানুষের প্রধান তথ্য উৎসে পরিণত হয়েছে। মানুষ অনেক সময় বিষয়টি গভীরভাবে না বুঝেই একটি পোস্ট, শিরোনাম বা ছবির ওপর ভিত্তি করে মত গঠন করে ফেলে। এই অভ্য

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।