Web Analytics

বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়া বহু প্রার্থী নিয়োগপত্র না পাওয়ায় ক্ষোভ, হতাশা ও অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। প্রার্থীদের অভিযোগ, প্রয়োজনীয় শর্ত, কাগজপত্র ও মেডিকেল ফিটনেস সনদ জমা দেওয়ার পরও ভেরিফিকেশনের শেষ ধাপে তাদের নিয়োগ আটকে গেছে বা বাদ দেওয়া হয়েছে। রোববার বিভিন্ন জেলায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারণ জানানো ও নিয়োগের দাবি করেন।

খুলনায় ২৭৫ জন সুপারিশপ্রাপ্তের মধ্যে ১৯৬ জন নিয়োগপত্র পেয়েছেন এবং ১০ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেননি বলে জানান সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোখলেসুর রহমান। বাকি ৬৯ জনের বিষয় অধিকতর যাচাইয়ের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। কুমিল্লায় ৫০৮ সুপারিশপ্রাপ্তের ৭৭ জন নিয়োগপত্র পাননি; জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তাদের বাদ দেওয়ার কথা জানিয়েছে। হবিগঞ্জে ৩০ জনও অনিশ্চয়তায় আছেন।

কুড়িগ্রামে বঞ্চিত প্রার্থীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন; জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায় তাদের অপেক্ষা করতে বলেছেন। গাইবান্ধার ৪১ জন প্রার্থী প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি পাঠিয়েছেন। কয়েকজন প্রার্থী জানান, কোন কারণে তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে কর্মকর্তাদের কাছ থেকে তারা স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাননি এবং লিখিতভাবে সিদ্ধান্ত ও করণীয় জানাতে আবেদন করেছেন।

28 Sep 26 1NOJOR.COM

নিয়োগপত্র না পেয়ে ব্যাখ্যা ও নিয়োগের দাবি সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের

নিউজ সোর্স

কাঁদছেন প্রাথমিকে নিয়োগবঞ্চিতরা

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ, অসন্তোষ ও হতাশা বিরাজ করছে। ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়ায় তাদের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। জেলা শিক্ষা অফিসে গিয়েও নিয়োগপত্র

সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।